Sunday, May 19, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

পররাষ্ট্রমন্ত্রী: বাইডেনের চিঠি বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আরও উন্নত করবে

জো বাইডেনের চিঠিকে সরকার অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছে বলে উল্লেখ করেন হাছান মাহমুদ

আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৪:৫৭ পিএম

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। চিঠিতে বাইডেন বাংলাদেশের উচ্চাভিলাষী অর্থনৈতিক লক্ষ্য অর্জনে সমর্থনের পাশাপাশি একটি অবাধ ও মুক্ত ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল প্রতিষ্ঠার অভিন্ন স্বপ্ন পূরণে অংশীদারত্ব প্রতিষ্ঠায় ঢাকার সঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে লেখা জো বাইডেনের চিঠিকে সরকার অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছে বলে উল্লেখ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমরা এই চিঠিকে উষ্ণ অভিনন্দন জানাই। আমরা মনে করি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের এই চিঠির মাধ্যমে আমাদের সম্পর্ক আরও উন্নত হবে এবং ভিন্নমাত্রায় পৌঁছাবে।”

তিনি বলেন, “গতকাল (রবিবার) মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠি লিখেছেন। সেই চিঠিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনার ক্ষেত্রে আমাদের যে লক্ষ্য, সেটি পূরণে তারা আমাদের সঙ্গে একযোগে কাজ করবেন। আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা, রোহিঙ্গা সংকট  ও জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।”

হাছান মাহমুদ বলেন, “নতুন অংশীদারিত্বের কথা মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার চিঠিতে লিখেছেন। সুতরাং, আমরা নতুন অংশীদারিত্ব চাই। আমাদের মধ্যে অংশীদারিত্ব আগে থেকে আছে। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য আমরা আগে থেকেই কাজ করছি। সেটিকে আরও দৃঢ় করার কথা চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।”

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অস্বস্তি ভাব কেটে গেছে কি-না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমি তো মনে করি অস্বস্তি থাকার আর কোনো কারণ নেই। ”

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। রবিবার ওই চিঠি মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

ওই চিঠিতে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র অংশীদারিত্বের নতুন অধ্যায়ের কথা বলা হয়েছে। সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলোর প্রথমে উল্লেখ রয়েছে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তার বিষয়টি। এছাড়া সহযোগিতার আরেকটি ক্ষেত্র হচ্ছে, রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু এবং শেষ দিকে অবাধ ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিকের অভিন্ন লক্ষ্যের কথা বলা হয়েছে। এর মাঝে রয়েছে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন, জ্বালানিসহ অন্যান্য সহযোগিতা।

About

Popular Links