Monday, May 27, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি, রাজশাহীতে তিন পুলিশ সদস্যের রিমান্ড আবেদন

গ্রেপ্তার হওয়া পুলিশের এই সদস্যরা ভুক্তভোগী চাকরিপ্রার্থীকে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেওয়ার চুক্তি করেন

আপডেট : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৯:৪৩ এএম

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে প্রতারণার অভিযোগে রাজশাহী ও দিনাজপুরে গ্রেপ্তার হওয়া তিন পুলিশ সদস্যের পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন জানানো হয়েছে।

সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) এই রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নুরুন্নবী হোসেন।

রিমান্ড আবেদনের বিষয়টি ঢাকা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (ডিবি) রুহুল আমিন সরকার।

তিনি বলেন, “আসামিদের প্রত্যেকের পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছে। ৬ ফেব্রুয়ারি রিমান্ড আবেদনের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।”

এর আগে গত ৩ ফেব্রুয়ারি কারিমা খাতুন নামে এক ভুক্তভোগী নগরীর রাজপাড়া থানায় একটি প্রতারণার মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় তিন পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন- সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) গোলাম রাব্বানী, কনস্টেবল আবদুর রহমান ও শাহরিয়ার পারভেজ শিমুল। এর মধ্যে আবদুর রহমান ও শাহরিয়ার পারভেজ শিমুল রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) সদরদপ্তরে কর্মরত ছিলেন। এএসআই গোলাম রাব্বানীও আগে পুলিশ কনস্টেবল ছিলেন। তখন তিনি আরএমপিতেই কর্মরত ছিলেন। পরে পদোন্নতি পেয়ে এএসআই হন, তার পোস্টিং ছিল দিনাজপুরে।

শাহরিয়ার পারভেজ শিমুলের বাড়ি রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় ও আবদুর রহমানের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জে। তবে গোলাম রাব্বানীর ঠিকানা জানা যায়নি।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষার আগে গ্রেপ্তার হওয়া পুলিশের এই সদস্যরা ভুক্তভোগী চাকরিপ্রার্থীকে পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেওয়ার চুক্তি করেন। এজন্য পরীক্ষার্থীদের প্রত্যেককে ছোট আকারের হেডফোন ও ইলেকট্রনিকস যন্ত্রপাতি সরবরাহের কথা ছিল। এসব ডিভাইসের মাধ্যমে বাইরে থেকে পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নের সব উত্তর বলে দেওয়া হবে বলে চুক্তিতে উল্লেখ করা হয়। এজন্য ভুক্তভোগী পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে তিন লাখ টাকা নেওয়া হয়। চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে ১৪ লাখ টাকার চুক্তি করা হয়েছিল। ভুক্তভোগীর কাছ থেকে নেওয়া হয়েছিল চেক ও স্ট্যাম্প।

কারিমা খাতুনের অভিযোগের ভিত্তিতে গত বৃহস্পতিবার আসামি শাহরিয়ার পারভেজের ভাড়া বাসায় অভিযান চালায় ডিবি পুলিশ। এ সময় ইলেকট্রনিকস ডিভাইস সংযুক্ত ১৬টি গেঞ্জি, ১৩টি চুম্বক দণ্ড, ক্ষুদ্র গোলাকৃত্রির চুম্বকযুক্ত ২৬টি ইলেকট্রনিকস ডিভাইস, ১৫টি মোবাইল ফোনের চার্জার, দুটি স্ট্যাম্প, দুটি চেক, টাকা পাঠানোর দুটি রসিদ এবং নগদ আট হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

About

Popular Links