Tuesday, May 21, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

গোপালগঞ্জে মাদ্রাসাছাত্রী ধর্ষণ: বড় হুজুরসহ ছয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা 

আসামিদের মধ্যে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দুইজন পলাতক

আপডেট : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০১:২৭ পিএম

ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার পরিজান বেগম মহিলা মাদ্রাসার ছয় শিক্ষকের নামে মামলা হয়েছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির বড় হুজুর (অধ্যক্ষ) ইসমাইল হোসেনকে মামলায় প্রধান আসামি করে বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে মুকসুদপুর থানায় মামলাটি করেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা। এতে আরও আসামি করা হয়েছে- আওলাদ ওরফে আসাদুজ্জামান, মাসুম বিল্লাহ, মো. আল-আমিন, মিজানুর রহমান মিজু এবং আমেনা বেগম নামে চার শিক্ষককে। তাদের বিরুদ্ধে প্রধান আসামিকে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে।

মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফুল আলম বলেন, ঘটনার দিন (বুধবার) রাতে ওই ছাত্রীর বাবা আমাদের কাছে মৌখিকভাবে ঘটনাটি জানান। রাতেই মূল অভিযুক্তসহ চারজনকে বিভিন্ন স্থান থেকে আটক করা হয়। মামলার পর বৃহস্পতিবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। মিজানুর রহমান মিজু ও আমেনা বেগম নামে দুই পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, ১০ বছর বয়সী ওই ছাত্রী মুকসুদপুর উপজেলার বাঁশবাড়িয়া পরিজান বেগম মহিলা মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্রী। মাদ্রাসার ভেতরেই তাকে যৌন নিপীড়ন করা হয়।  

মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. দ্বীপ সাহা বলেন, “নার্সের সহায়তায় প্রাথমিক পরীক্ষায় শিশুটিকে ধর্ষণের আলামত মিলেছে। শারীরিক অবস্থা অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।”

শিশুটির বাবা বলেন, “অভিযুক্ত বড় হুজুর ইসমাইল হোসাইনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। এ কাজে সহযোগিতা করায় অন্য শিক্ষকদেরও আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।”

About

Popular Links