Friday, May 24, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

জবি ছাত্রীর মৃত্যু: জাবিতে ছাত্র ইউনিয়নের মানববন্ধন

আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা

আপডেট : ১৭ মার্চ ২০২৪, ০৫:১৮ পিএম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকাকে আত্মহত্যায় বাধ্য করা হয়েছে দাবি করে আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ।

রবিবার (১৭ মার্চ) বেলা আড়াইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের পাদদেশ সংলগ্ন সড়কে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।

এতে ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাসিব জামানের সঞ্চালনায় অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন সহকারী সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, সহ সভাপতি মুক্তারুল ইসলাম অর্ক, সভাপতি আলিফ মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক ইমন।

মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম ইমন বলেন, ‘‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে কাঠামোগত আত্মহত্যার দায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের। যৌন নিপীড়ক শিক্ষকদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর- প্রভোস্ট হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়।ফলে যৌন নিপীড়কদের বাঁচাতে এই শিক্ষকরা প্রাণপণ চেষ্টা করেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনের ছত্রছায়ায় যৌন নিপীড়ক গড়ে উঠে। অবন্তিকা আত্মহত্যার আগে দোষীদের নাম বলে গেছেন।তাই আমাদের একটাই দাবি এ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত সবার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। আমরা এখানে দাঁড়িয়েছি অবন্তিকাসহ নাম না জানা আরও অনেক অবন্তিকার জন্য। যাদের ঘটনা এখনও সামনে আসেনি।’’

সভাপতি আলিফ মাহমুদ বলেন, ‘‘অবন্তিকার আত্মহত্যার ঘটনাটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তাকে দীর্ঘদিন ধরে সহপাঠী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর দ্বারা মানসিক নির্যাতন করা হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা দ্বারা প্রমাণিত হয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আসলে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ নয়। দেশে নারীদের ক্ষমতায়নের কথা বলা হলেও নারীরা এখনও নিরাপদ নয়। তাদের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এসেও যেভাবে নিপীড়নের শিকার হতে হয়, তা আমাদের জন্য লজ্জাজনক।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টররা আজ রাঘব বোয়ালে পরিণত হয়েছে। রক্ষক ভক্ষকের ভূমিকা পালন করছে। শিক্ষার্থীরা অত্যাচারিত হয়ে যখন প্রক্টরের কাছে অভিযোগ নিয়ে যায়, বিচার চায়, তখন তাদেরকে চুপ থাকতে বলা হয় কিংবা বহিষ্কার করে দেয়ার হুমকি দেয়া হয় । এর চেয়ে লজ্জার আর কি হতে পারে। আমরা চাই যারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে এর সঙ্গে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনা হোক। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিচার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই।’’

এছাড়াও মানববন্ধনে বক্তারা অবন্তিকার ঘটনা একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড উল্লেখ করে জড়িতদের কঠোর শাস্তি ও  জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের স্বেচ্ছাচারিতা মনোভাব প্রত্যাহার করার দাবি জানান।

About

Popular Links