Monday, May 27, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

১০ বছর পর নিয়োগের সুপারিশ পেলেন ৩৩তম বিসিএসের এক প্রার্থী

  • ২০১২ সালে ৩৩তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
  • ২০১৩ সালে মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়
  • ২০১৪ সালে সুপারিশপ্রাপ্তরা কর্মস্থলে যোগদান করেন
আপডেট : ২০ মার্চ ২০২৪, ০২:১৮ পিএম

২০১২ সালে ৩৩তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল। ওই বছরের ১ জুন ১ লাখ ৯৩ হাজার ৫৯ পরীক্ষার্থী প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশ নেন। ২৮ জুন প্রিলিমিনারি ফলাফল প্রকাশ করে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। প্রিলিমিনারিতে উত্তীর্ণ ২৮,৯১৭ প্রার্থী পরে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১৮,৬৯৩ জনের মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয় ২০১৩ সালের মে ও জুন মাসে। প্রার্থী বাছাইয়ের বিভিন্ন ধাপ শেষে পদের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি করে সেবার ৮, ৫২৯ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দিতে সুপারিশ করেছিল পিএসসি। ২০১৪ সালের আগস্ট মাসে সুপারিশপ্রাপ্তরা কর্মস্থলে যোগদান করেন।

৩৩তম বিসিএসে আবেদন করেছিলেন আফরোজা খানম নামের এক চাকরিপ্রার্থী। প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণও হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ২০১৩ সালে মৌখিক পরীক্ষা দেওয়ার পর বাবার মুক্তিযোদ্ধা সনদ–সম্পর্কিত বিষয়ে জটিলতার কারণে তার সুপারিশ স্থগিত করে পিএসসি। এরপর ওই মুক্তিযোদ্ধা সনদের বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মতামত অনুযায়ী তার স্থগিত ঘোষিত ফলাফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে পিএসসি।

দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর পর মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) পিএসসি থেকে নিয়োগের সুপারিশ পেয়েছেন আফরোজা খানম। তাকে সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের প্রভাষক পদে নিয়োগের সুপারিশ করেছে পিএসসি।

পিএসসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৩৩তম বিসিএস পরীক্ষার্থী আফরোজা খানমের (রোল নম্বর: ০২৯৭৭৪) বাবার মুক্তিযোদ্ধা সনদ–সম্পর্কিত বিষয়ে জটিলতা থাকায় তার সুপারিশ কমিশন কর্তৃক স্থগিত রাখা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে আফরোজা খানমের দাখিলকৃত তাঁর বাবার মুক্তিযোদ্ধা সনদের বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মতামত অনুযায়ী স্থগিত ঘোষিত ফলাফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত কমিশন গ্রহণ করেছে। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের প্রভাষক (ইতিহাস) পদে সাময়িকভাবে সুপারিশ করা হলো।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পরবর্তী সময়ে যেকোনো পর্যায়ে প্রার্থীর যোগ্যতার ঘাটতি ধরা পড়লে, দুর্নীতি, অসত্য তথ্য প্রদান বা অন্য কোনো ক্ষেত্রে কাগজপত্রের ঘাটতি থাকলে বা কোনো গুরুতর ভুলত্রুটি ধরা পড়লে তার সুপারিশ/মনোনয়ন বাতিল করা হবে। মেডিকেল বোর্ড স্বাস্থ্য পরীক্ষায় যোগ্য ঘোষণা ও যথাযথ এজেন্সি কর্তৃক প্রাক্‌–নিয়োগ জীবনবৃত্তান্ত যাচাইয়ের পর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রার্থীকে নিয়োগ করা হবে।

About

Popular Links