Sunday, May 26, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

কেজিতে ১০০ টাকা বাড়ল খলিলের দোকানে গরুর মাংসের দাম

‘নানামুখী চাপে’ আছেন বলে দাবি আলোচিত এই মাংস বিক্রেতার

আপডেট : ২১ মার্চ ২০২৪, ০৯:২২ পিএম

রাজধানী ঢাকার মাংস ক্রেতাদের কাছে আলোচিত এক নাম খলিল। গত বছর বাজারের তুলনায় কম দামে গরুর মাংস বিক্রি করে আলোচনায় আসেন উত্তর শাহজাহানপুরের ব্যবসায়ী খলিলুর রহমান। এ বছর রমজানের শুরুতে ঘোষণা দেন, ২৫ রোজা পর্যন্ত তার দোকানে ৫৯৫ টাকা কেজিতে গরুর মাংস বিক্রি করবেন। এতে তার দোকান “খলিল গোস্ত বিতানে” ক্রেতাদের ঢল নামে।

তবে, ২৫ রোজার কথা বললেও ১০ রোজা শেষ হওয়ার আগেই তিনি কেজিপ্রতি মাংসের দাম ১০০ টাকা বাড়িয়ে দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) তার দোকানে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জানিয়ে ব্যানার টানানো দেখা গেছে।

তবে দাম বাড়ানোর পেছনে খলিলের দাবি, তিনি চাপে আছেন।

এ বিষয়ে তিনি সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোকে বলেন, “খামার থেকে যে দামে গরু কিনতে হচ্ছে, তাতে ৫৯৫ টাকা দরে মাংস বিক্রি করে পোষাতে পারছিলাম না। লোকসানে পড়তে হচ্ছে। ক্রেতাদের ভিড় অনেক। বাধ্য হয়ে মাংসের দাম কেজিতে ১০০ টাকা বাড়াতে হয়েছে।”

লোকসানে পড়ার কারণ জানতে চাইলে খলিলুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, “আগে কিছুটা কম দামে গরু কিনতে পারছিলাম। কিন্তু এখন আর আগের দামে গরু পাচ্ছি না। আমার নিজের যেহেতু খামার নেই, তাই বাড়তি দামে গরুর কেনা হলে মাংসের দাম না বাড়িয়ে উপায় থাকে না। আমি ভেবেছিলাম, বর্ডার খুলে দেওয়া হবে (ভারত থেকে গরু আমদানি করা যাবে)। এতে কম দামে গরু পাওয়া যাবে। সেটা করা হলে আগের দামে মাংস বিক্রি করা সম্ভব হতো। নানামুখী চাপে আছি ভাই।”

“নানামুখী চাপ” বলতে তিনি কী বোঝাচ্ছেন কিংবা কী ধরনের চাপ আছে, তা জানতে চাইলে খলিলুর রহমান বলেন, “আমি এখন আর খুব বেশি কথা বলার মতো পরিস্থিতিতে নেই। পরে এ বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলা যাবে।”

প্রসঙ্গত, বাজারে যখন ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা কেজিতে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছিল, তখন খলিলুর রহমান ৫৯৫ টাকায় মাংস বিক্রির ঘোষণা দেন। এরপর ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ তার দোকানে মাংস কিনতে ভিড় করে। গত শুক্রবার তিনি এক কোটি টাকার গরুর মাংস বিক্রি করেন বলে জানিয়েছিলেন।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সম্প্রতি বিশ্ব ভোক্তা দিবসের অনুষ্ঠানে এই ব্যবসায়ীকে “ব্যবসায় উত্তম চর্চার স্বীকৃতি” দিয়ে পুরস্কৃত করেছে।

About

Popular Links