Saturday, May 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

জামা-ট্রাউজার দেখে আরেকটি লাশ শনাক্ত

আনোয়ারের বড় ভাই সাজ্জাদুর রহমান জানান, তার ভাইয়ের পুরো দেহ পুড়ে গেলেও কনুইয়ের কাছে জামার একটি টুকরো ও পরনে ট্রাউজারের একটি টুকরো ছিল।

আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৩:৩৭ পিএম

পুরান ঢাকার চকবাজারের চুড়িহাট্টা এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত আরেকজনের লাশ জামা ও ট্রাউজার দেখে শনাক্ত করা হয়েছে। নিহত ওই ব্যক্তির নাম আনোয়ার হোসেন মঞ্জু। 

আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে আনোয়ারের লাশ শনাক্ত করে তার পরিবার।  

আনোয়ারের লাশ শনাক্তের মধ্য দিয়ে মোট ৪৭ জনের লাশ শনাক্ত হলো। এ ছাড়া ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল ও মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে থাকা ২০ জনের লাশ শনাক্ত হয়নি।

আনোয়ারের বড় ভাই সাজ্জাদুর রহমান জানান, তার ভাইয়ের পুরো দেহ পুড়ে গেলেও কনুইয়ের কাছে জামার একটি টুকরো ও পরনে ট্রাউজারের একটি টুকরো ছিল। তা দেখে তিনি ভাইকে শনাক্ত করতে পেরেছেন।

সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান সেলিম রেজা জানান, পরিবারকে আনোয়ার হোসেনের লাশ বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে লাশটি হস্তান্তর করা হচ্ছে।

এদিকে আজ দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিএনএ অ্যানালিস্ট নুসরাত ইয়াসমিন জানান, চকবাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ১৯ জনকে শনাক্ত করতে ৩২ জন স্বজনের কাছ থেকে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। 

শুক্রবার সকাল থেকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গের সামনে অস্থায়ী ক্যাম্পে নমুনা সংগ্রহ করছেন সিআইডির ডিএনএ ল্যাবের কর্মীরা।

এ বিষয়ে নুশরাত ইয়াসমিন বলেন, 'এখন পর্যন্ত ১৯ জনকে শনাক্ত করতে ৩২ জন স্বজনের ডিএনএ নমুনা নেওয়া হয়েছে। যারা এখনও স্বজনদের খুঁজে পাননি তাদের নমুনা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। আমাদের ল্যাবে ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছি। এই প্রক্রিয়ায় এক সপ্তাহ, এক মাস বা আরও বেশি সময় লাগতে পারে।'

চকবাজারের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৬৭ জনের মৃত্যু হয়। এ পর্যন্ত ৪৭টি মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি ২১টি মরদেহ এখনো শনাক্ত করা যায়নি। এগুলো শনাক্তের জন্য ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফলের ওপর নির্ভর করতে হবে।

About

Popular Links