Tuesday, May 21, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

দ্বিতীয় দিনের মতো রাস্তায় কেয়া নিট কম্পোজিট কারখানার শ্রমিকরা

‘আমরা কাজ করতে এসেছি। আন্দোলন করতে আসিনি। পেটের ক্ষুধায় আন্দোলন করছি’

আপডেট : ০২ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:৩২ পিএম

গাজীপুর মহানগরীর জরুন এলাকায় বকেয়া বেতন ও বোনাসের দাবিতে কেয়া নিট কম্পোজিট পোশাক কারখানার শ্রমিকরা দ্বিতীয় দিনের মতো কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ করছেন।

মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) সকাল ৭টার দিকে শ্রমিকরা কোনাবাড়ী-কাশিমপুর আঞ্চলিক সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। ১০টার দিকে শিল্প পুলিশ এসে সড়ক থেকে তাদের সরিয়ে দেয়। শ্রমিকরা চলে গেলে সংশ্লিষ্ট সড়কগুলোতে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এর আগে, সোমবার আন্দোলনের মুখে শুধু কেয়া স্পিনিং মিলের শ্রমিকদের ঈদ বোনাস দেওয়া হয়। ওই দিন ইফতারের পর স্পিনিং মিলের শ্রমিকদের সঙ্গে কেয়া নিট কম্পোজিটের শ্রমিকেরা কোনাবাড়ী-কাশিমপুর সড়ক অবরোধ করে রাখেন। রাত ১১টার দিকে তারা সড়ক থেকে সরে যান। তবে কারখানার ফটকে রাতের শিফটের শ্রমিকরা অবস্থান নেন। মঙ্গলবার সকালে আরও শ্রমিক এ আন্দোলনে যোগ দেন। তারা কারখানাসংলগ্ন সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।

শ্রমিকরা জানান, ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসের বেতন ও ঈদের বোনাস দেওয়া হয়নি। ২২ মার্চ বকেয়া ও বোনাস দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কারখানা কর্তৃপক্ষ তাদের কথা রাখেনি। শ্রমিকদের পাশাপাশি স্টাফদের বেতনও বেশ কয়েক মাস ধরে বাকি রাখা হয়েছে।

জানা গেছে, কেয়া নিট কম্পোজিট লিমিটেডের কেয়া স্পিনিং মিলস, কেয়া কটন, কেয়া ইয়ার্ন মিলস, কেয়া নিট কম্পোজিট, কেয়া ডাইং অ্যান্ড নিটিং এবং কেয়া কসমেটিকস শাখার প্রায় আট হাজার শ্রমিক বিক্ষোভে অংশ নেন। গত দুই বছরের ছুটির টাকাও পরিশোধ করা হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে তারা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেছেন।

নারী শ্রমিক সালেহা আক্তার ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “আমরা কাজ করতে এসেছি। আন্দোলন করতে আসিনি। পেটের ক্ষুধায় আন্দোলন করছি। বকেয়া বেতন, ঈদ বোনাস ও বাৎসরিক ছুটির টাকা না দেওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।”

গাজীপুর শিল্প পুলিশের কাশিমপুর জোনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দীপক চন্দ্র মজুমদার বলেন, “শ্রমিকেরা বেতন ও বোনাসের দাবিতে আন্দোলন করছেন। তাদের সঙ্গে কথা বলে সড়ক থেকে সরানো হয়েছে। তবে শ্রমিকেরা জানিয়েছেন, বকেয়া বেতন পরিশোধ না করলে তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।”

About

Popular Links