Saturday, May 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

'বিমান ছিনতাইকারী' মাহাদীর মরদেহ নিতে বাবার অস্বীকৃতি

“পলাশ যে ঘটনা ঘটিয়েছে তা খুবই দুঃখজনক এবং আমাদের জন্য মানহানিকর। অপকর্মের জন্য পলাশের মরদেহ আমরা বাড়িতে আনতে চাই না।”

আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৬:৩৫ পিএম

চট্টগ্রামে বিমান ছিনতাই চেষ্টার সময় কমান্ডো অভিযানে নিহত মাহাদী ওরফে পলাশের (২৩) বাবা পিয়ার জাহান সর্দার  ছেলের মরদেহ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। 

ছেলের মরদেহ দেখতে চান না জানিয়ে তার বাবা বলেন, “পলাশ বাবা-মায়ের অবাধ্য সন্তান। সে যে ঘটনা ঘটিয়েছে তা খুবই দুঃখজনক এবং আমাদের জন্য মানহানিকর। অপকর্মের জন্য পলাশের মরদেহ আমরা বাড়িতে আনতে চাই না।”

পিয়ার জাহান বলেন, “ছেলেকে অনেক বুঝিয়েছি। তবে সে কথা শোনেনি।” 

এদিকে ছেলের খবর শুনে পলাশের  মা  অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে তার বাবা জানান, “গত শুক্রবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ছেলে (পলাশ) আমাকে জানায় যে, সে আর বাংলাদেশে থাকবে না। দুবাই চলে যাবে। এ কারণে সে আমার কাছ থেকে ৫০০ দিরহাম চায় এয়ারপোর্টে দেখানোর জন্য। আমি সেই টাকা জোগাড় করে দেই।” 

এর আগে, পলাশের নামে  নারী কেলেঙ্কারির মামলায় সোনারগাঁও থানায় মামলা হয়েছিল। সেই মামলায় ২০ দিন জেল খেটে সে জামিন পেয়েছিল।

প্রসঙ্গত, রবিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৫টা ৫ মিনিটে ছেড়ে চট্টগ্রাম হয়ে দুবাই যাওয়ার কথা ছিল। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-১৪৭ ফ্লাইট ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে  বলা হয়, ঢাকা থেকে উড্ডয়নের পরই বিমানটি ছিনতাইকারীর কবলে পড়ে। পরে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিকাল ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে ওই ফ্লাইটটি জরুরি অবতরণ করে। ফ্লাইটে ১৩৪ জন যাত্রী ও ১৪ জন ক্রু ছিলেন। পরে কমান্ডো অভিযানে সন্দেহভাজন বিমান ‘ছিনতাইকারী’ পলাশ নিহত হয়। তবে বিমানে থাকা যাত্রীরা অভিযানের আগেই নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন।

চার ভাই-বোনের মধ্যে সবার ছোট সন্তান পলাশ সোনারগাঁওয়ের তাহেরপুর মাদ্রাসা থেকে দাখিল পাস করে সোনারগাঁ ডিগ্রি কলেজে ইন্টারমিডিয়েটে ভর্তি হয়। এরপর সে আর পড়াশোনা করেনি।

About

Popular Links