Monday, June 17, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

যে কারণে ডিবি কার্যালয়ে মামুনুল হক

ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটের দিকে তিনি ডিবির কার্যালয় থেকে বের হয়ে যান

আপডেট : ১৮ মে ২০২৪, ০৮:৫১ পিএম

হেফাজতে ইসলামের সাবেক কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে প্রায় আড়াই ঘণ্টা অবস্থান করেন।

শনিবার (১৮ মে) ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটের দিকে তিনি ডিবির কার্যালয় থেকে বের হয়ে যান।

এ সময় তিনি সাংবাদিকদের জানান, নিজের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন নেওয়ার জন্য তিনি ডিবি কার্যালয়ে এসেছিলেন। মামুনুল হক বলেন, “আমাকে যখন গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, তখন মামলার আলামত হিসেবে আমার মোবাইল ফোনটি জব্দ করা হয়। সেই মোবাইল ফোনটি নিতে আমি আজ ডিবি কার্যালয়ে এসেছি।”

মামলা সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “ডিবি অফিস থেকে আমাকে ডাকা হয়নি। তাই মামলা সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করিনি। আমাকে যখন গ্রেপ্তার করা হয়েছিল তখন মামলার আলামত হিসেবে আমার মোবাইল ফোনটি জব্দ করা হয়েছিল। সেই মোবাইল ফোনটি ফিরে পেতে আমি আজ ডিবি কার্যালয়ে এসেছি।”

তবে মোবাইল ফোনটি ফিরে পেয়েছেন কি-না এই সংক্রান্ত প্রশ্ন করলে হেফাজতের এই নেতা উত্তর না দিয়ে প্রাইভেট কারে ডিবি কার্যালয় ত্যাগ করেন।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের রয়েল রিসোর্টে এক নারীর সঙ্গে মাওলানা মামুনুল হককে অবরুদ্ধ করেন স্থানীয়রা। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। খবর পেয়ে তখন হেফাজতের স্থানীয় নেতাকর্মীরা রিসোর্টে গিয়ে ভাঙচুর চালিয়ে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এরপর ঢাকার মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসায় অবস্থান করেন মামুনুল হক। ১৫ দিন পর ১৮ এপ্রিল ওই মাদ্রাসা থেকে মাওলানা মামুনুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

৩০ এপ্রিল সোনারগাঁ থানায় তার বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের মামলা করেন তার সঙ্গে রিসোর্টে অবরুদ্ধ হওয়া নারী। যদিও ওই নারীকে নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করে আসছেন মামুনুল হক। এরপর ওই মাসেই দেশের বিভিন্ন স্থানে তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহসহ অর্ধশতাধিক মামলা হয়। সেসব মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর থেকে এসব মামলায় কারাগারেই ছিলেন মামুনুল হক।

গত ৩ মে সকালে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান তিনি।

About

Popular Links