Tuesday, June 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

বায়ুদূষণে ১১৮ শহরের মধ্যে ঢাকা দ্বিতীয়

ঢাকার বায়ু দূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো- ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলো

আপডেট : ১৯ মে ২০২৪, ১০:১৫ এএম

রাজধানী ঢাকার বাতাস আজ রবিবার সকাল ৯টার দিকে “অস্বাস্থ্যকর” অবস্থায় ছিল। এ সময় বায়ুদূষণে বিশ্বের ১১৮টি শহরের মধ্যে ঢাকার অবস্থান ছিল দ্বিতীয়। আইকিউএয়ারের বাতাসের মানসূচকে ঢাকার স্কোর ১৮৩।

শনিবার (১৮ মে) বায়ুদূষণের মানসূচকে ঢাকার স্কোর ছিল ১২১।

আজ সকাল ৯টায় ভারতের দিল্লি, পাকিস্তানের লাহোর ও চীনের উহান যথাক্রমে ৩৭০, ১৭৭ ও ১৬৭ একিউআই স্কোর নিয়ে তালিকার প্রথম, তৃতীয় ও চতুর্থ স্থান দখল করেছে।

বায়ুদূষণের এ পরিস্থিতি নিয়মিত তুলে ধরে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার। বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা এই লাইভ বা তাৎক্ষণিক সূচক একটি নির্দিষ্ট শহরের বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত, সে সম্পর্কে তথ্য দেয় এবং সতর্ক করে।

আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর ৫১ থেকে ১০০ হলে তাকে “মাঝারি” বা “গ্রহণযোগ্য” মানের বায়ু হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরকে “সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর” ধরা হয়। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তা “অস্বাস্থ্যকর” বায়ু। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে তাকে “খুবই অস্বাস্থ্যকর” বায়ু ধরা হয়। ৩০১ থেকে তার ওপরের স্কোরকে “দুর্যোগপূর্ণ” বা “ঝুঁকিপূর্ণ” ধরা হয়।

ঢাকার বায়ুদূষণ থেকে বাঁচতে আইকিউএয়ার বেশকিছু পরামর্শ দিয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে- ঘরের বাইরে গেলে সংবেদনশীল গোষ্ঠীর মানুষদের মাস্ক পরতে হবে। এছাড়া ঘরের বাইরে ব্যায়াম না করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের ৫টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে। সেগুলো হলো- বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।

দীর্ঘদিন ধরে বায়ু দূষণে ভুগছে ঢাকা। এর বাতাসের গুণমান সাধারণত শীতকালে অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায় এবং বর্ষাকালে কিছুটা উন্নত হয়।

২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকার বায়ু দূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো- ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলো।

ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (ডব্লিউএইচও) অনুসারে, বায়ু দূষণের ফলে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কারণে মৃত্যুহার বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষ মারা যায়।

About

Popular Links