Tuesday, June 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

সকালে ঢাকার বাতাস ছিল ‘গ্রহণযোগ্য’ মানের

আইকিউএয়ারের বাতাসের মানসূচকে ঢাকার স্কোর ৫৬। বাতাসের এই মান ‘মাঝারি’ বা ‘গ্রহণযোগ্য’ হিসেবে বিবেচিত

আপডেট : ২৮ মে ২০২৪, ০২:২৭ পিএম

বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় ঢাকার বাতাসের মান সাধারণত “অস্বাস্থ্যকর” পর্যায়ে থাকে। মাঝেমধ্যে খুব বৃষ্টি হলে “মধ্যম” পর্যায়ে চলে আসে। কিন্তু বাতাসের মান যে “ভালো” পর্যায়ে আসে এমনটা দেখা যায় না।

ব্যতিক্রম ঘটল মঙ্গলবার (২৮ মে) ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে টানা বৃষ্টির কারণে ঢাকার বাতাসের মান এদিন সকালে “গ্রহণযোগ্য মানের” ছিল। বায়ুদূষণে বিশ্বের ১১৯টি শহরের মধ্যে সকাল ৯টার দিকে ঢাকার অবস্থান ছিল ৪২তম।

আইকিউএয়ারের বাতাসের মানসূচকে ঢাকার স্কোর ৫৬। বাতাসের এই মান “মাঝারি বা গ্রহণযোগ্য” হিসেবে বিবেচিত।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার-এ তালিকা প্রকাশ করে। প্রতিদিনের বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা একিউআই সূচক একটি নির্দিষ্ট শহরের বাতাস কতটুকু নির্মল বা দূষিত, সে সম্পর্কে মানুষকে তথ্য দেয় এবং তাদের জন্য কোন ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে, তা জানায়।

ভারতের দিল্লি, ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা ও পাকিস্তানের লাহোর যথাক্রমে ২১৬, ১৭৩ ও ১৬২ একিউআই স্কোর নিয়ে তালিকার প্রথম তিনটি স্থান দখল করেছে। 

একিউআই স্কোর ১০০ থেকে ২০০ পর্যন্ত “অস্বাস্থ্যকর” হিসেবে বিবেচিত হয়। একইভাবে একিউআই স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে স্বাস্থ্যসতর্কতাসহ “জরুরি অবস্থা” হিসেবে বিবেচিত হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ ও অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।

২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকার বায়ু দূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো- ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলো।

বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের ৫টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে। সেগুলো হলো- বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।

দীর্ঘদিন ধরে বায়ু দূষণে ভুগছে ঢাকা। এর বাতাসের গুণমান সাধারণত শীতকালে অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায় এবং বর্ষাকালে কিছুটা উন্নত হয়।

ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (ডব্লিউএইচও) অনুসারে, বায়ু দূষণের ফলে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কারণে মৃত্যুহার বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষ মারা যায়।

About

Popular Links