Monday, June 17, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

টাঙ্গাইলে সিলযুক্ত ব্যালটের ছবিতে সয়লাব ফেসবুক, কর্তৃপক্ষ বলছে ‘জানি না’

নিয়ম অনুযায়ী, ভোট দেওয়ার আগে ভোটারকে মোবাইল ফোন জমা দিতে হয়

আপডেট : ২৯ মে ২০২৪, ০৮:০২ পিএম

টাঙ্গাইলে নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা না করে সিল দেওয়া ব্যালট পেপার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আপলোডের যেন হিড়িক পড়েছে। 

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে বুধবার (২৯ মে) টাঙ্গাইল সদর, নাগরপুর ও দেলদুয়ারে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। তিনটি উপজেলা থেকেই সিলযুক্ত ব্যালট পেপারের ছবি পোস্ট করতে দেখা গেছে ফেসবুকে।

নিয়ম অনুযায়ী, ভোট দেওয়া বা বুথে ঢোকার আগে ভোটারকে মোবাইল ফোন কেন্দ্রে দায়িত্বরতদের কাছে জমা দিতে হয়। এছাড়া, ভোটাররা যাতে ছবি তুলতে সক্ষম এমন বস্তু নিয়ে বুথে ঢুকতে না পারেন, সেটি নিশ্চিত করার দায়িত্ব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর।

দেলদুয়ার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যানে পদে এম শিবলী সাদিককে টেলিফোন প্রতীকে সিল মেরে ব্যালট পেপারের ছবি ফেসবুকে পোস্ট করা হয় আলমগীর হোসেন নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে।

সদরে চেয়ারম্যান প্রার্থী তোফাজ্জল হোসেন খান তোফাকে দোয়াত কলম প্রতীকে, ভাইস চেয়ারম্যান ইশতিয়াক আহম্মেদ রাজীবকে উড়োজাহাজ প্রতীকে এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী পপি গুহকে পদ্মফুল প্রতীকে সিল দিয়ে ব্যালট পেপারের ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেছেন মুহিত ইসলাম নামের একজন ভোটার।

একই উপজেলায় মোহাম্মদ ফারুক হোসেন মানিককে ঘোড়া প্রতীকে সিল দিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন কাজী ইলিয়াস নামের একজন ভোটার।

সদর উপজেলায় কৌশিক আহম্মেদ রাজু তার পছন্দের প্রার্থী ইসতিয়াক আহম্মেদ রাজিবকে উড়োজাহাজ প্রতীকে ভোট দিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন।

একই উপজেলায় আসলামন খান জনি নামের এক ব্যক্তি ঘোড়া প্রতীকে সমর্থন জানিয়ে ফাঁকা ব্যালট পেপার পোস্ট করেছেন ফেসবুকে।

দেলদুয়ারে এ্যালেক্স অপ্পি নামের এক আইডি থেকে টেলিফোন প্রতীকে সিল দেওয়া ছবি ফেসবুকে পোস্ট করা হয়েছে।

এভাবে আরও কর্মী-সমর্থক তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে ব্যালট পেপারের ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মতিযুর রহমান বলেন, “সিলযুক্ত ব্যালট কেউ ফেসবুকে দিয়েছে কি-না জানি না। না জেনে বক্তব্য দেওয়া সম্ভব না।”

About

Popular Links