Saturday, June 22, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

কাদের: ঈদযাত্রায় এক দিন একটু কষ্ট হলে কী আসে-যায়

জাতীয় মহাসড়ক ও করিডরের মেরামত-সংস্কারের কাজ আসন্ন ঈদের সাত দিন আগেই শেষ করার নির্দেশনা দেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী

আপডেট : ৩০ মে ২০২৪, ০৪:৩৪ পিএম

ঈদ-উল-ফিতরের ছুটিতে বাড়ি যাওয়ার সময় এক দিন ভোগান্তি হয়েছিল। সেটি ছিল পোশাক শ্রমিকদের ছুটির দিন। ধাপে ধাপে পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের ছুটি দেওয়ার বিষয়টি বলা হলেও তা মানে না মালিকপক্ষ। এ নিয়ে সাংবাদিকদের করা এক প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, “এক দিন একটু সমস্যা হোক না, হোক। বাড়ি যাবে (লোকজন) আনন্দ করে, সেখানে এক দিন কষ্ট হলো, তাতে কী আসে–যায়।”

বৃহস্পতিবার (৩০ মে) দুপুরে আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে সড়কপথে যাত্রীদের যাতায়াত নিরাপদ-নির্বিঘ্ন করার জন্য করণীয় নির্ধারণসংক্রান্ত সভায় তিনি এমন মন্তব্য করেন। ঢাকার বনানীর বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ভবনে এই সভা হয়।

ওবায়দুল কাদের বলেন, “গার্মেন্টস ছুটি দিলে হাজারো শ্রমিক রাস্তায় নেমে যান, এতে যানজট বাড়ে। এ সময় গাজীপুর ও চন্দ্রায় বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে। এছাড়া রাজধানীর হানিফ ফ্লাইওভার যানজটের আরেকটি বড় উৎস।”

ঈদের সময় রাস্তায় খোঁড়াখুঁড়ি না করতে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, “বৃষ্টির সময় এসেছে। এখন কিসের খোঁড়াখুঁড়ি। ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের খোঁড়াখুঁড়ির কাজ ঈদের সময় বন্ধ রাখতে হবে।”

ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) আওতাধীন ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের পাশাপাশি জাতীয় মহাসড়ক ও করিডরের মেরামত-সংস্কারের কাজ আসন্ন ঈদের সাত দিন আগেই শেষ করার নির্দেশনা দেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী।

সভা সূত্রে জানা যায়, মহাসড়কের পাশে অস্থায়ী পশুর হাট ইজারা দেওয়া হয়। এর কারণে যানজটের সৃষ্টি হয়। তাই এসব স্থানে পশুর হাট না বসানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সভায় আরও বেশকিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে পণ্য ও পশুবাহী যানবাহনে, বিশেষ করে ফিরতি পশুবাহী ট্রাকে যাতে যাত্রী বহন করা না হয়। সড়কে শৃঙ্খলা রাখার লক্ষ্যে কোরবানির পশু পরিবহনের ক্ষেত্রে কোন হাটে পশু যাবে, সে বিষয়ে ট্রাকের সামনে ব্যানার ব্যবহার করা।

টোল প্লাজায় পশুবাহী যানবাহন পারাপারে অগ্রাধিকার দেওয়া। সওজের আওতাধীন নয়টি সেতু ও দুটি মহাসড়কে ইটিসি বুথ চালুর মাধ্যমে সার্বক্ষণিক টোল আদায় অব্যাহত রাখা। এগুলো হলো- কর্ণফুলী সেতু, মেঘনা সেতু, গোমতী সেতু, পায়রা সেতু, খান জাহান আলী (রূপসা) সেতু, চরসিন্দুর সেতু, শহীদ ময়েজউদ্দিন সেতু, আত্রাই টোল প্লাজা, লালন শাহ সেতু, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মহাসড়ক।

পাশাপাশি সেতু বিভাগের আওতাধীন পদ্মা সেতু, বঙ্গবন্ধু সেতু ও কর্ণফুলী টানেলে ইটিসি বুথ সার্বক্ষণিক চালু রাখা।

সভায় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী, সেতু বিভাগের সচিব মো. মনজুর হোসেন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি মসিউর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

About

Popular Links