Tuesday, June 18, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

সোয়া দুই কোটি শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে শনিবার

এই ক্যাম্পেইনের সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশ থেকে ২৪% শিশুমৃত্যু কমানো যেতে পারে

আপডেট : ৩১ মে ২০২৪, ০৭:৪৩ পিএম

বাংলাদেশে শৈশব অন্ধত্ব রোধ ও শিশুমৃত্যুর হার কমাতে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী ২ কোটি ২০ লাখ শিশুকে ভিটামিন এ-প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য নিয়ে শনিবার জাতীয় ভিটামিন ‘‘এ’’-প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল বাশার মোহাম্মদ বলেন, ‘‘ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো শিশুদের অন্ধত্ব রোধ করে, স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করে, সব ধরনের শিশুমৃত্যু ২৪% কমায়। এছাড়া হাম, ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া থেকে মৃত্যুহার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করে।’’

শুক্রবার (৩১ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে খুরশীদ আলম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘‘ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পরবর্তীতে ঘূর্ণিঝড়-বিধ্বস্ত উপকূলীয় অঞ্চলে পরিচালিত হবে।’’

ক্যাম্পেইনের আওতায় ৬ মাস থেকে ১১ মাস বয়সী ২৭ লাখ শিশুকে নীল রঙের ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে ও ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ১৯ লাখ শিশুকে এ দিন লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

একটি শিশুও যাতে ভিটামিন ক্যাপসুল খাওয়া থেকে বাদ না পড়ে তা নিশ্চিত করার জন্য খুরশিদ জনগণকে তাদের শিশুদের ভিটামিন ‘‘এ’’-প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, “আমরা এই ক্যাম্পেইনের সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশ থেকে ২৪% শিশুমৃত্যু কমাতে পারি।”

তিনি আরও বলেন, “ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর ফলে দেশে অন্ধত্ব সমস্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।”

“দেশ স্বাধীন হওয়ার পর, ভিটামিন ‘এ’-এর অভাবে ৪% শিশু অন্ধত্বে ভুগছিল, যেখানে এখন মাত্র ০.০১% শিশু অন্ধত্বে ভুগছে,” ডিজিএইচএস ডিজি যোগ করেছেন।

খুরশিদ বলেন, “সারাদিনে সব স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও মোবাইল হেলথ সেন্টারে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য দেশব্যাপী প্রচারে মোট ২৪০,০০০ স্বেচ্ছাসেবক এবং ৪০,০০০ স্বাস্থ্যকর্মী কাজ করবেন।”

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, “ভিটামিন ‘এ’-এর ঘাটতি মা ও শিশু উভয়ের স্বাস্থ্যের জন্যই মারাত্মক হুমকি। ভিটামিন ‘এ’-এর অভাবের প্রভাব শুধু অন্ধত্বের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করে মৃত্যুঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয়।”

About

Popular Links