Saturday, June 15, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

সিলেট নগরে ঢুকছে পানি, কন্ট্রোল রুম চালু

সিলেটের ১৩ উপজেলার মধ্যে আট উপজেলার ৪৮টি ইউনিয়ন এখন পর্যন্ত প্লাবিত হয়েছে

আপডেট : ০১ জুন ২০২৪, ১২:২৩ পিএম

ভারতের মেঘালয়ের পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যার পানি এবার সিলেট সদর উপজেলা ও নগরে প্রবেশ করছে। জরুরি পরিস্থিতিতে নগরে আশ্রয়কেন্দ্র ও কন্ট্রোল রুম খুলেছে নগর কর্তৃপক্ষ। পানিবন্দি পরিবারগুলোকে উদ্ধার ও প্রয়োজনীয় খাবার পৌঁছে দিতে ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে।

শুক্রবার (৩১ মে) দুপুর থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়র, কাউন্সিলর ও কর্মকর্তারা।

দুই দিনের বন্যায় এখন পর্যন্ত সাড়ে ছয় লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন বলে জানিয়েছে সিলেট জেলা প্রশাসন। জেলার ১৩ উপজেলার মধ্যে আট উপজেলার ৪৮টি ইউনিয়ন এখন পর্যন্ত প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকায় ৫৪৭টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) জনসংযোগ কর্মকর্তা সাজলু লস্কর বলেন, “বিভিন্ন কাউন্সিলরদের দেওয়া তথ্যমতে- নগরীতে বন্যায় আক্রান্ত হয়েছেন ইতোমধ্যে চার হাজার পরিবার। তাদের পর্যাপ্ত পরিমাণ শুকনো খাবার পাঠানোর ব্যবস্থা নিচ্ছে সিসিক।”

শুক্রবার রাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ শুকনো খাবার বন্যাকবলিত এলাকার কাউন্সিলরদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

তিন দিন ধরে ভারতের উজান থেকে পাহাড়ি ঢল নামছে। পাশাপাশি সিলেটে ভারী বৃষ্টিও হচ্ছে। এতে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় জেলায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে/ঢাকা ট্রিবিউন

এদিকে, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নগরীর ১৫, ২২ ও ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের, সুবহানীঘাট, তালতলা, উপশহর, তেররতন এলাকা পরিদর্শন করেন ভারপ্রাপ্ত মেয়র মো. মখলিছুর রহমান কামরান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী, স্থানীয় কাউন্সিলর শাহানা বেগম শানুসহ স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলররা।

এ সময় ভারপ্রাপ্ত মেয়র মখলিছুর রহমান কামরান বলেন, “উজান থেকে নেমে আসা ঢল আর টানা বৃষ্টির কারণে সিলেটের নদ-নদীর পানির বেড়ে ইতোমধ্যে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বন্যার পানি শহরের দিকে ধেয়ে আসছে। সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে সংকট মোকাবিলায় পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।”

সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোবারক হোসেন জানান, বন্যাকবলিত উপজেলায় আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছে। জেলা ও উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির বৈঠক হয়েছে। উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে কন্ট্রোল-রুম খোলা হয়েছে। বন্যা-কবলিত মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসা হচ্ছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে সবার কাছে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হবে।

About

Popular Links