Saturday, June 15, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

নানা প্রজাতির ফুলে সেজেছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক

গাছগুলো দিনে মহাসড়কের সৌন্দর্য বৃদ্ধি আর রাতে বিপরীতমুখী গাড়ির হেডলাইটের আলো নিয়ন্ত্রণ করে দুর্ঘটনারোধেও ভূমিকা রাখছে

আপডেট : ০৪ জুন ২০২৪, ১২:০০ পিএম

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে যেখানেই চোখ পড়বে সেখানেই ফুলের সমারোহ। মহাসড়কের চার লেনের আইল্যান্ডে কুমিল্লাসহ ফেনী, চট্টগ্রাম অংশে বর্ণিল ফুলের মেলা বসেছে। লাল, হলুদ নানা রঙের ফুলের গাছ। মনোরম দৃশ্য দেখতে দেখতে যাতায়াত করছেন যাত্রীরা। এ দৃশ্য দেখে খুশি যাত্রী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।

মহাসড়কের কুমিল্লা অংশের ১০০ কিলোমিটারে বেশিরভাগ অংশেই চোখে পড়বে কৃষ্ণচূড়া, সোনালু, কাঞ্চন কিংবা করবী। নানা প্রজাতির ফুলে সেজেছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। সড়কে চলাচলকারীদের ক্লান্তিও যেন হারিয়ে গেছে। মহাসড়কে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে সড়ক বিভাজনে থাকা এসব ফুলের মেলা।

ফুলের সৌন্দর্য দাউদকান্দি থেকে ফেনীর মোহাম্মদ আলী সড়ক পর্যন্ত অন্যরকম এক আবহ তৈরি হয়েছে। নান্দনিক এ সৌন্দর্য ধরে রাখতে গাছগুলোর নিয়মিত পরিচর্যার প্রত্যাশা মানুষের।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এসব গাছ রোপণের উদ্যোগ সড়ক বিভাগের। মহাসড়কের যেসব স্থানে গাছ নষ্ট হয়ে গেছে, সেসব স্থানে নতুন করে গাছ রোপণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কুমিল্লা সড়ক ও জনপদ অফিস সূত্র জানায়, এক পাশের আলো যেন অন্য পাশে এসে দুর্ঘটনা না ঘটায় তাই এ কম উচ্চতার ফুলের গাছ লাগানো হয়েছে। এছাড়া সৌন্দর্য বৃদ্ধি এবং আইল্যান্ড দখলমুক্ত রাখতেও এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ফুলের গাছ/সংগৃহীত

চার লেনের প্রজেক্ট ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করা নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুম সারোয়ার জানিয়েছেন, কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে ফেনী পর্যন্ত এ মহাসড়কে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানো হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে হৈমন্তী, কুর্চি, টগর, রাধাচূড়া, কাঞ্চন, সোনালু, কৃষ্ণচূড়া, কদম, বকুল, পলাশ, কবরী, ক্যাসিয়া ও জারুল প্রভৃতি। এরকম ৫৪ হাজার গাছ লাগানো হয়েছে। এগুলোর উচ্চতা ২ মিটার থেকে ৫ মিটার। এছাড়া সড়ক স্লোপে জলপাই, অর্জুন, কাঁঠাল, মেহগনি, শিশু, আকাশমণি, চালতা, নিম, একাশিয়া, হরিতকীসহ বিভিন্ন প্রজাতির ৪২ হাজার গাছ লাগানো হয়েছে। গাছগুলো দিনে মহাসড়কের সৌন্দর্য বৃদ্ধি আর রাতে বিপরীতমুখী গাড়ির হেডলাইটের আলো নিয়ন্ত্রণ করে দুর্ঘটনারোধেও ভূমিকা রাখছে।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের সহকারী অধ্যাপক মাছুম মিল্লাত মজুমদার বলেন, “গ্রামের বাড়ি ফেনী থেকে প্রায়ই এ মহাসড়ক দিয়ে কুমিল্লায় আসি। নানা রঙের ফুলে মহাসড়ক বর্ণিল হয়ে উঠেছে, দেখতে ভালোই লাগে। এগুলোর পরিচর্যা করলে মহাসড়কের এ সৌন্দর্য অটুট থাকবে।”

সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীতি চাকমা বলেন, “চার লেন প্রকল্পের আওতায় ১৪টি বাইপাস, সেতু ও কালভার্ট ছাড়া মহাসড়কের মিডিয়ানে (আইল্যান্ড) এসব গাছ লাগানো হয়েছে। গাছের সুরক্ষায় আমরা নজরদারি করছি।”

About

Popular Links