Saturday, June 22, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ধর্ষণ মামলায় পিবিআইয়ের তদন্তে বাধা নেই

এর আগে, ধর্ষণের একটি মামলায় পিবিআইয়ের করা তদন্তের বৈধতা নিয়ে আসামির আবেদন খারিজ করে দিয়েছিলেন হাইকোর্ট

আপডেট : ০৪ জুন ২০২৪, ০৪:২৮ পিএম

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ধর্ষণ মামলার তদন্ত করতে পারবে বলে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

একটি ধর্ষণ মামলায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আসামির করা লিভ টু আপিল খারিজ করে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের তিন বিচারকের বেঞ্চ সোমবার (৪ মে) এ আদেশ দেন।

এর ফলে, পিবিআইয়ের ধর্ষণ মামলার তদন্ত করতে আর কোনো আইনগত বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

এর আগে, ধর্ষণের ওই মামলায় পিবিআইয়ের করা তদন্তের বৈধতা নিয়ে আসামির আবেদন খারিজ করে দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।

এ বিষয়ে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সায়েম মুরাদ বলেন, “আপিল বিভাগের আগের এক রায়ে বলা হয়েছিল, নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ৯(১) ধারার অভিযোগ গ্রহণ না করলে পুলিশ তার তদন্ত করতে পারবে না। সেই রায় তুলে ধরে পিবিআইয়ের তদন্তে বাধা সৃষ্টি করতে চাচ্ছিল আসামি পক্ষ। আপিল বিভাগ সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন।”

অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, “আপিল বিভাগের এই আদেশের ফলে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারার মামলার তদন্ত করতে পারবে পিবিআই।”

মামলার বিবরণে জানা যায়, বিয়ের মিথ্যা প্রলোভন দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়ার দেবগ্রামের অধিবাসী দেব দুলাল বসুর (৪৫) বিরুদ্ধে মামলা করেন ভুক্তভোগী এক নারী।

ওই কলেজ শিক্ষার্থীর দায়ের করা অভিযোগে বলা হয়, মিরপুরের একটি ভাড়া বাসায় তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন আসামি। এ ঘটনায় তিনি মিরপুর মডেল থানায় মামলা করতে যান। কিন্তু পুলিশ মামলাটি গ্রহণ না করে তাকে ফিরিয়ে দেন।

পরে ভুক্তভোগী ২০২২ সালের ২৮ জুলাই ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। ট্রাইব্যুনাল বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে অভিযোগটি অনুসন্ধানের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেন।

পিবিআই অভিযোগের অনুসন্ধান করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গত বছরের ২ জানুয়ারি আসামি দেব দুলালের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৮ এর বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মাফরোজা পারভীন।

অভিযোগ গঠনের ওই আদেশ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেন আসামি। ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১(ক) ধারায় করা ওই আবেদন শুনানি শেষে তা খারিজ করে দেয় বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর হাইকোর্ট বেঞ্চ।

হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়, “আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। মৌখিক ও দালিলিক সাক্ষ্যের ভিত্তিতে মামলাটি বিচারের জন্য আমলে নেওয়া হয়েছে। এমতাবস্থায় মামলার বিচার চালিয়ে নিতে ট্রাইব্যুনালকে নির্দেশ দেওয়া হল।”

ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করেন আসামি।

About

Popular Links