Saturday, June 15, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

এ যেন গরু ডাকাতের ‘শেয়ার বাজার’

  • ডাকাতদের অগ্রিম টাকা দিয়ে রাখে একদল ব্যাপারি
  • ডাকাতির জন্য সম্প্রতি তারা কেনে নতুন ট্রাকও
আপডেট : ০৭ জুন ২০২৪, ০১:৩৩ পিএম

মহাসড়কে কোরবানির পশুবাহী গাড়ি থামিয়ে এবং বিভিন্ন খামারকে লক্ষ্য করে ডাকাতির প্রস্তুতি নেওয়া একটি দলের আট সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা উত্তর ডিবি (গোয়েন্দা) পুলিশ।

সংস্থাটি বলছে, এই ডাকাতদলে ১২-১৫ সদস্য রয়েছে। বাইরে তাদের আরও সহযোগী রয়েছে। সহযোগীদের মধ্যে রয়েছে গরুর ব্যাপারি ও কসাইরা। ডাকাতির পর সেই গরু তারাই কিনে নেয়। আর গরু ডাকাতির আগেই ডাকাতদের অগ্রিম টাকা দিয়ে রাখে এই সহযোগীরা। ফলে তারাও জানে, কবে ডাকাতির ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৬ জুন) দুপুরে ঢাকার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য তুলে ধরেন ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আসাদুজ্জামান।

তিনি জানান, গোপন খবরের ভিত্তিতে বুধবার রাতে আশুলিয়ার নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের পলাশবাড়ি বাসস্ট্যান্ড ও পার্শ্ববর্তী হাবিব সিএনজি পাম্পের সামনে অভিযান চালিয়ে ডাকাতদলের আট সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তাররা হলেন- তোফাজ্জল হোসেন ওরফে তুফান (৩৯), মিন্টু (৩৮), ইয়াকুব আলী (৪০), রঞ্জু প্রামাণিক (৩১), মোহর আলী (৫০), আনিস মোল্লা (৩৫), জহিরুল ইসলাম (৪০) ও ফজলুল ইসলাম (২৭)।

পুলিশ জানায়, ডাকাতির জন্য তারা সম্প্রতি নতুন তিনটি ট্রাক কেনে।

এসপি মো আসাদুজ্জামান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা জানিয়েছে, আশুলিয়া এলাকায় কয়েকটি বাড়ি ও খামারে ডাকাতির জন্য তারা সমবেত হয়েছিল। তারা আন্তজেলা গরু ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য।

এ সময় তাদের কাছ থেকে নতুন তিনটি ট্রাক, কাটার, ছুরি, চাপাতি, স্লাই রেঞ্চ, গরু বাঁধার দড়িসহ ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করে জব্দ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, গরুর গাড়িগুলো সড়ক-মহাসড়কে যাতে নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে সেজন্য পুলিশ তৎপর। চুরি-ছিনতাই-ডাকাতির মত ঘটনা প্রতিরোধে টহল বাড়ানো হয়েছে। এরই জেরে প্রথম দুইজন ডাকাতকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যে অন্যদের গ্রেপ্তার করা হয়। তারা সংঘবদ্ধ ডাকাত দল। তাদের নামে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এই চক্রের সঙ্গে জড়িত বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

About

Popular Links