Saturday, June 22, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

উত্তেজিত হয়ে গুলি ছোড়েন কনস্টেবল, তর্কের কারণ অজানা

ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বলছে, অভিযুক্ত কনস্টেবল কাউসার আহমেদ মানসিকভাবে বিপর্যস্ত

আপডেট : ০৯ জুন ২০২৪, ০৫:০৪ পিএম

রাজধানীর বারিধারায় ডিপ্লোম্যাটিক জোনে ফিলিস্তিন দূতাবাসের সামনে কর্তব্যরত কনস্টেবল মনিরুল ইসলামের সঙ্গে সহকর্মী কাউসার আহমেদের তর্ক হয়। একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে কাউসার কনস্টেবল মনিরুলের দিকে গুলি ছোড়েন।  

রবিবার (৯ জুন) দুপুরে ডিএমপির সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) ড. খ. মহিদ উদ্দিন।

তবে তর্কের কারণ বা বিষয়বস্তু নিয়ে এখনও কিছুই জানাতে পারেনি ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। তদন্তে তা বেরিয়ে আসবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মহিদ উদ্দিন বলেন, দুই পুলিশ সদস্যের মধ্যে বিরোধ ছিল, এমন তথ্য আমাদের কাছে নেই। কাউসারের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি, কিন্তু বিরোধের কোনো তথ্য তার কাছ থেকে পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি অভিযুক্ত কাউসারের গত এক-দুই মাসের ডিউটির রেকর্ড দেখেছি। রেকর্ডে সে যথাযথভাবেই ডিউটি করেছে।

পুলিশের এই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘‘গুলি করার আগে তদের মধ্যে কী বিষয় নিয়ে তর্ক হয়েছিল, তা এখনও কনফার্ম হতে পারিনি আমরা। তদন্তে জানা যাবে।’’

তার ভাষ্য, “আমার কাছে মনে হয়েছে, অভিযুক্ত কনস্টেবল কাউসার আহমেদ মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। গুলি করেই তিনি হতভম্ব। এ কারণে বারবার বলছিলেন, ‘এটা কীভাবে হয়ে গেল। আমি জানি না’।”

‘‘অর্থাৎ এ ধরনের ঘটনা ঘটানোর পর মানসিকভাবে নার্ভাস থাকে। যে কারণে ঘটনার পরও অস্ত্র রেখে কনস্টেবল কাউসার সেখানে হাঁটাহাঁটি করছিলেন। কারণ, তিনি স্ট্রেসটা নিতে পারছিলেন না। ঘটনার পর তিনি বুঝতে পেরেছেন- হয়ত কত বড় অন্যায় ও অমানবিক কাজ করে ফেলেছেন। হয়ত এক-দুদিন গেলে বোঝা যাবে, গুলি করার কারণ।’’

অতিরিক্ত কাজের চাপে কনস্টেবল কাউসার মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন কি-না, এমন প্রশ্নের জবাবে ড. খ. মহিদ বলেন, ‘‘না, ডিউটির কারণে কোনো সমস্যা তৈরি হয়নি। আর এখন কোথাও ডিউটির অতিরিক্ত চাপ নেই। স্বাভাবিকভাবেই ডিউটি করছেন সবাই।’’

সামগ্রিকভাবে পুলিশ সদস্যদের কাউন্সেলিংয়ের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হবে কিনা, জানতে চাইলে ড. খ. মহিদ উদ্দিন বলেন, ‘‘প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আমাদের কাউন্সেলিংয়ের সিস্টেম নেই। তবে নিয়মিত ব্রিফিংগুলোতে কী করা যাবে, কী করা যাবে না; সে সম্পর্কে বলা হয়। এটাও এক ধরনের কাউন্সেলিং।’’

শনিবার রাত ১২টার দিকে বারিধারায় এলাকায় দুই পুলিশ সদস্যই ফিলিস্তিন দূতাবাসের বাইরে পুলিশ বক্সে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তখন কনস্টেবল কাউসারের গুলিতে নিহত হন তারই সহকর্মী মনিরুল। এ ঘটনায় জাপান দূতাবাসের গাড়িচালক সাজ্জাদ হোসেন এবং এক পথচারী আহত হন।

About

Popular Links