Monday, May 20, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

অসত্য কথা বলছেন ইলিয়াস কাঞ্চন, দাবি মন্ত্রণালয়ের

ইলিয়াস কাঞ্চনের দেয়া বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়

আপডেট : ০৭ মার্চ ২০১৯, ০৬:০৫ পিএম

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের স্ক্যানারে নিজের পিস্তল ও গুলি ধরা না পড়ার বিষয়ে অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চনের দেয়া বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার দেয়া এক বিবৃতিতে ওই ঘটনা প্রসঙ্গে ইলিয়াস কাঞ্চন অসত্য কথা বলছেন বলে দাবি করা হয়।

তবে মন্ত্রণালয়ের দেয়া বিবৃতিকেই অসত্য বলে আখ্যা দিয়েছেন ইলিয়াস কাঞ্চন। এ বিষয়ে তিনি ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, নিশ্চিত এ বিষয়ে আমি ফেসবুকে একটি ভিডিও শেয়ার করেছি। সেখানে আমার বক্তব্য তুলে ধরেছি।

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালে পিস্তল ও গুলি ধরা না পড়ার ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুমুল আলোচনা হয়। বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমেও কথা বলেন কাঞ্চন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৫ মার্চ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালের স্ক্যানারে পিস্তল ও গুলি ধরা না পড়ার ঘটনা নিয়ে ইলিয়াস কাঞ্চন বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে বলছেন, ‘‘ব্যাগে থাকা লাইসেন্স করা পিস্তলটি বাসায় রেখে আসতে ভুলে যাই। এরই মধ্যে বিমানবন্দরের প্রবেশগেটে ব্যাগটি তল্লাশি করা হয়। নভোএয়ারের বোর্ডিং কাউন্টারে এসে ব্যাগে থাকা পিস্তলের কথা মনে পড়ে। স্ক্যানিং মেশিনে পিস্তল ধরা না পড়ায় আমি অবাক হই। এ ব্যাপারে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে অবহিত করি। তাৎক্ষণিক কর্তৃপক্ষ আমার কাছে দুঃখ প্রকাশ করে।’’

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘‘প্রথম স্ক্যানার পার হওয়ার পর মনে পড়ায় আমিই তাদের কাছে গিয়েছি। কেন স্ক্যানারে এ বিষয়টি ধরা পড়েনি তা নিয়ে আমি তাদের কাছে অভিযোগ করেছি।’’

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিমান মন্ত্রণালয় উল্লেখ করে, ‘‘ঘটনার বিষয়ে ইলিয়াস কাঞ্চন নিজের ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য সংবাদ মাধ্যমে একের পর এক অসত্য কথা বলছেন। প্রকৃতপক্ষে ওই দিন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালে যা ঘটেছে তা হলো– ইলিয়াস কাঞ্চনের ল্যাপটপের ব্যাগে থাকা পিস্তল ও গুলি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালের অ্যান্টি-হাইজাকিং পয়েন্টে স্ক্যানিং করার সময় শনাক্ত হয়। বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা এ বিষয়ে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি তার ভুল স্বীকার করেন। তখন নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা তাকে বিমানবন্দরের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পিস্তলটি বহন করার জন্য অনুরোধ করলে তিনি ওই স্থান থেকে ফেরত যান। পরবর্তীতে তিনি যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বিমানে চট্টগ্রামে গমন করেন।’’

About

Popular Links