Sunday, May 26, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

পাইলট এনায়েতের মৃত্যুতে গ্রাম জুড়ে শোক

গত রবিবার যশোর প্রশিক্ষণ বিমান দুর্ঘটনায় স্কোয়াড্রন লিডার এনায়েত কবির পলাশের মৃত্যুতে তার গ্রামের বাড়ির পুরো এলাকা জুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

আপডেট : ০৪ জুলাই ২০১৮, ০৩:৩৩ পিএম

জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামে কেটেছে নিহত পাইলট এনায়েতের দুরন্ত শৈশব। ১৯৯৭ সালে জামালপুর জেলা স্কুল থেকে এসএসসি, ১৯৯৯ সালে জামালপুর আশেক মাহমুদ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এইচএসসি পাসের পর ২০০০ সালে বিমান বাহিনীতে যোগদান করেন তিনি। ট্রেনিং শেষে ২০০২ সালের ডিসেম্বরে ৪৬তম কমিশন লাভ করেন এনায়েত।   

গত ১ জুলাই রাত ৯টা ২০ মিনিটে যশোর মতিউর রহমান বিমান ঘাঁটি থেকে কেএইচডব্লিউ মডেলের প্রশিক্ষণ বিমান উড্ডয়নের পরপরই টাওয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় স্কোয়াড্রন লিডার এনায়েতের। উড্ডয়নে তার সঙ্গী ছিলেন স্কোয়াড্রন লিডার মো. সিরাজুল ইসলাম। নিয়ন্ত্রন হারাবার পরে সদর উপজেলার ফরিদপুর গ্রামের বুকভরা বাঁওরের মধ্যে আছড়ে পড়ে প্রশিক্ষণ বিমানটি। এ দুর্ঘটনায় দুজনই নিহত হন।

নিহত এনায়েতের পরিবারে বাবা-মা, স্ত্রী ছাড়াও ছিল তিন বছর বয়সী কন্যা তারিশা। অবসরপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য অধিদফতরের কর্মকর্তা ডা. শফিউদ্দিন ও মা রোকেয়া বেগমের চার সন্তানের মধ্যে বড় ছিলেন পাইলট এনায়েত।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই তার পরিবারের লোকজন ঢাকায় রওনা দেন। এনায়েত কবিরের মামা ডা. আবু তাহের জানিয়েছেন, সোমবার সকালে যশোর বিমান ঘাঁটিতে প্রথম ও ঢাকা বিমান বাহিনীর হেডকোয়ার্টারে বিকাল ৫টায় দ্বিতীয় নামাজের জানাজা শেষে তেজগাঁও শাহীন কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।

সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় কৃষ্ণপুর গ্রামে তার অকাল মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পরলে এলাকার লোকজনের মাঝে শোকের আবহ নেমে আসে। কৃষ্ণপুর গ্রামে মরহুমের গায়েবানা জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয় বলে জানান নিহতের চাচা হায়দার আলী। তিনি আরও বলেন, শৈশব থেকে মেধা ও ভদ্রতার গুণে সকলের খুব আদুরে ছিলেন নিহত স্কোয়াড্রন লিডার এনায়েত। 


About

Popular Links