Friday, May 31, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

রাবির ছাত্রী হলে জুনিয়রদের সঙ্গে সিনিয়রদের দুব্যর্বহার

গণরুমে জায়গা না হওয়ায় কয়েকজন নবীন শিক্ষার্থীকে টিভিরুমে থাকার ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু টিভি দেখতে অসুবিধা হওয়ায় তাদেরকে সেখান থেকে চলে যেতে বলেন সিনিয়ররা।

আপডেট : ২৫ এপ্রিল ২০১৯, ০৫:১৫ পিএম

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলে জুনিয়র শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে সিনিয়র শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে। বুধবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা হলে এ ঘটনা ঘটে।

প্রতিবাদে রাত ১টার দিকে হলের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। 

তাদের অভিযোগ, অভিযুক্ত শিক্ষার্থী শিবিরের ছাত্রীসংস্থার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান ও হল প্রাধ্যক্ষ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন।

হল সূত্রে জানা গেছে, গণরুমে জায়গার সংকুলান না হওয়ায় প্রাধ্যক্ষ প্রথম বর্ষের কয়েকজন ছাত্রীকে টেলিভিশন রুমে সিটের ব্যবস্থা করে দেন। ফলে সিনিয়র শিক্ষার্থীদের টেলিভিশন দেখা নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তারা বুধবার হল প্রাধ্যক্ষকে টিভি রুমে অবস্থানরতদের অন্যত্র সিট দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। 

কিছুক্ষণ পর তারা টিভিরুমে গিয়ে সেখানে অবস্থানরত ছাত্রীদের গণরুমে ফিরে যাওয়ার জন্য বলেন। কিন্তু কয়েকজন জুনিয়র শিক্ষার্থী গণরুমে যেতে অস্বীকৃতি জানায়। এক জুনিয়র শিক্ষার্থী নিজেকে ছাত্রলীগ কর্মী পরিচয় দিলে দু'পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

পরে টিভিরুমে অবস্থানরত ছাত্রলীগের এক কর্মী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনুকে জানান। যার পরিপ্রেক্ষিতে রাতেই বিভিন্ন হলের ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা ফজিলাতুন্নেসা হলের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। 

ছাত্রলীগ নেতাদের দাবি- অভিযুক্ত সিনিয়র শিক্ষার্থীরা ছাত্রীসংস্থার সদস্য। এরা পরিকল্পিতভাবে তাদের কর্মীকে হেনস্থা করেছে। পরে প্রক্টর ও হল প্রাধ্যক্ষ তাদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টির মীমাংসা করেন এবং টিভি রুমের ছাত্রীদের গণরুমে থাকার ব্যবস্থা করেন।

এ বিষয়ে রাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, আমরা জানতে পেরেছি হলে ছাত্রীসংস্থা মিটিং করে পরিকল্পিতভাবে আমাদের কর্মীকে হেনস্থা করেছে। এ বিষয়ে আমরা হল সুপার রাবেয়া আক্তারের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তিনিও আমাদের সঙ্গে দেখা করেননি। তাই আমরা এর প্রতিবাদ জানিয়েছি।

হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক বীথিকা বণিক ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, হলে সিটের সংকট রয়েছে। সিট নিয়ে জুনিয়র ও সিনিয়র শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঝামেলা হয়েছে। পরে উপ-উপাচার্য চৌধুরী মো. জাকারিয়া এবং প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টির সমাধান করে দিয়েছেন।

প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, হলে সিট নিয়ে জুনিয়র ও সিনিয়রদের মধ্যে ঝামেলা হয়েছিলো। হল প্রাধ্যক্ষের উপস্থিতিতে দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি মীমাংসা করে দিয়েছি।

About

Popular Links