• শনিবার, ডিসেম্বর ১৪, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:৪৫ দুপুর

লেখক হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে হতে হবে নমনীয়

  • প্রকাশিত ১২:০৯ দুপুর নভেম্বর ১১, ২০১৮
dhaka lit fest logo

"নারী লেখকদের ক্ষেত্রে ‘না’ বলা মানে সে ধরে নিবে তার কন্ঠস্বরকেই ‘না’ বলা হয়েছে"

ঢাকা লিট ফেস্ট থেকে প্রাপ্তির খাতায় যা কিছু যুক্ত হয়েছে তার মধ্যে উঠতি লেখকগণ কিভাবে দেশের বা বিদেশের প্রকাশনী থেকে তাদের লেখা প্রকাশ করবে তার কিছু দিকনির্দেশনা পাওয়া হলো অন্যতম। স্থানীয় অনেক প্রকাশনী এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গনে তাদের অস্থায়ী স্টল খুলেছে। উৎসবের দ্বিতীয় দিনে দি আননেইমড প্রেসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ক্রিস হায়জার, ক্যামব্রিজ শর্ট স্টোরি প্রাইজের পরিচালক ও টিএসএস পাবলিকেশনের প্রতিষ্ঠাতা রুপার্ট ডাস্টুর এবং হোয়াইটিং ফাউন্ডেশনের রাইটিং প্রোগ্রাম পরিচালক কোর্টনি হডেলের অংশগ্রহণে ‘শাউট আউট” শীর্ষক এক প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

প্যানেল সদস্যগণ তাঁদের পরিচয় পর্ব সেরে উঠতি লেখকরা কিভাবে তাদের লেখা প্রকাশ করবেন সে বিষয়ে আলাপ করতে শুরু করেন।এর আগে এক সেশনে ক্যামব্রিজ শর্ট স্টোরি প্রাইজ বিষয়ে আলোচনা করেন রুপার্ট ডুস্টুর। তিনি বলেন এই ছোটগল্প প্রতিযোগিতায় লেখকরা চাইলেই কোনো খরচ ছাড়াই অংশ নিতে পারেন। তাঁর মতে এরকম প্রতিযোতার মাধ্যমে উঠতি লেখকরা প্রেরণা পেতে পারেন, নিজেদের পরিচিতি বাড়াতে পারেন এবং নিজেদের লেখাকে ঝালিয়ে নিতে পারেন। লেখা প্রত্যাখ্যাত হওয়া বিষয়ে তিনি বলেন এ এমন এক বাস্তবতা যা সকল লেখককেই মেনে নিতে হবে। তাঁর মতে, “লেখক হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে অবশ্যই নমনীয়তা দেখাতে হবে"।

কোর্টনি হডেল লেখা প্রত্যাখ্যাত হওয়া নিয়ে বিশদ আলাপ করেন। তিনি বলেন “পুরুষ লেখকদের লেখাকে ‘না’ বলা হলে তারা ভাবে তার ওই লেখাকে ‘না’ বলা হয়েছে, এবং তারা তাদের অন্য লেখা পাঠায়। অন্যদিকে, নারী লেখকদের ক্ষেত্রে ‘না’ বলা মানে সে ধরে নিবে তার কন্ঠস্বরকেই ‘না’ বলা হয়েছে।“ তিনি নারী লেখকদের প্রতি আহবান জানান যেন তারা দমে না যান। প্রত্যাখ্যাত হলেও যেন তারা লেখাকে উন্নত করে সেটাকে প্রকাশ করার যুদ্ধ চালিয়ে যান।

তিনজন প্যানেল সদস্যই হতাশাকে শক্তি করে সু্যোগ কাজে লাগানোর ব্যাপারে জোর দেন। তাদের মতে নতুন লেখকদের ক্ষেত্রে বড় প্রকাশনী থেকে লেখা প্রকাশ করার চেয়ে সাহিত্য ম্যাগাজিন বা অপেক্ষাকৃত ছোট প্রকাশনী থেকে প্রকাশ করে নিজের অবস্থান জানান দেওয়া জরুরি। হেইজার বলেন ছোট ছোট প্রকাশকরা লেখকদের বেশি সময় ও সুযোগ দিতে পারেন। তবে তিনি আরো বলেন এসব ক্ষেত্রে লেখকদেরকে রিভিশন ও লেখার মার্কেটিং নিয়ে আরো বেশি সম্পৃক্ত হতে হবে।

প্রশ্নোত্তর সেশনের মধ্য দিয়ে প্যানেল আলোচনা শেষ হয়। ক্রিস হায়জার নতুন লেখকদের প্রতি একটি দিকে বিশেষ গুরুত্ব দেন আর তা হলো নিজেদের নেটওয়ার্ক বাড়ানো।