• বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:১৮ রাত

পাকিস্তান থেকে পেঁয়াজ নিয়ে কার্গো বিমান ঢাকায়

  • প্রকাশিত ১০:০৭ রাত নভেম্বর ২০, ২০১৯
পেঁয়াজ
ফাইল ছবি। মেহেদী হাসান/ঢাকা ট্রিবিউন

এই চালানটিতে ৮১ টন ৫০০ কেজি পেঁয়াজ রয়েছে

পাকিস্তানের করাচি থেকে পেঁয়াজের প্রথম চালান রাজধানীর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেছে। 

বুধবার (২০ নভেম্বর) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে পেঁয়াজবাহী কার্গো বিমানটি অবতরণ করে। এই চালানটিতে ৮১ টন ৫০০ কেজি পেঁয়াজ রয়েছে।

ঢাকা কাস্টমসের সহকারী কমিশনার সাজ্জাদ হোসেন খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “পেঁয়াজের এই চালানটির আমদানিকারক ঢাকার শাদ এন্টারপ্রাইজ। এটি দ্রুত খালাসের প্রক্রিয়া চলছে।”

এর আগে গত মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সি সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ দ্রুত আমদানির জন্য সরকার বেশ কিছু এয়ারলাইনসের কার্গো উড়োজাহাজ ভাড়া করেছে। ভারত ও মিয়ানমারেও পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ায় মিসর ও তুরস্ক থেকে পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। 

এদিকে, আকাশপথে পেঁয়াজ আমদানির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য চার্জ জনস্বার্থে মওকুফ করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।


আরও পড়ুন - পেঁয়াজ আমদানিতে চার্জ নেবে না বাংলাদেশ বিমান


পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল রাখার স্বার্থে বুধবার (২০ নভেম্বর) বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মহিবুল হক জানান, “পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল রাখার জন্য জনগণের স্বার্থে যতদিন এভাবে আকাশপথে পেঁয়াজ আমদানি করা হবে ততদিনই এই চার্জ মওকুফের ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে।”

আকাশপথে পেঁয়াজ আমদানির সাথে সম্পৃক্ত সকল ব্যবসায়ীকে এ ব্যাপারে সবোর্চ্চ সহযোগিতা প্রদান করা হবে বলেও জানান তিনি। 

প্রসঙ্গত, গত ২৯ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয় ভারত। সংকট মোকাবিলায় মিয়ানমার, মিশর, তুরস্কসহ কয়েকটি দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। তবে জলপথে পেঁয়াজ আমদানি করতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। এরইমধ্যে খোলা বাজারে পেঁয়াজের দাম ২৬০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে কার্গো বিমানের মাধ্যমে পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।