• বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:১৮ রাত

এক পেঁয়াজ ১০০ টাকা!

  • প্রকাশিত ০৪:১২ বিকেল নভেম্বর ২৮, ২০১৯
সাতক্ষীরা পেঁয়াজ
বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরার বড় বাজারে একটি চীনা পেঁয়াজ বিক্রি হয় ১০০ টাকায় ঢাকা ট্রিবিউন

নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মধ্যে পেঁয়াজের পাশাপাশি নতুন করে বেড়েছে আলু ও রসুনের দাম

গত মৌসুমে ৩ থেকে ৫ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি করেছিলেন সাতক্ষীরার কৃষকরা। কিন্তু গত অক্টোবরে ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করার পর লাফিয়ে বাড়তে শুরু করে পেঁয়াজের দাম। বর্তমানে ২৫০ টাকা কেজি দরেও বিক্রি হচ্ছে এ পণ্যটি। 

কয়েকদিন কিছুটা কম থাকার পর আবারও বেড়ে গেছে পেঁয়াজের দাম। বর্তমানে খুচরা বাজারে ভালো মানের দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি ২৪০-২৫০ টাকা, মিয়ানমারের পেঁয়াজ ২২০-২৩০ টাকা এবং চীন-মিশরের বড় আকৃতির পেঁয়াজ ২০০-২২০ টাকা কেজিতে বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। অর্থাৎ, এখনও পেঁয়াজের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে।

এমন পরিস্থিতিতে চীন থেকে আমদানি করা বড় সাইজের প্রতিটি পেঁয়াজ ১০০ টাকা দরে কিনতে হচ্ছে সাতক্ষীরার ক্রেতাদেরকে। ফজলুর রহমান নামে এক ক্রেতা জানান, ওজনভেদে এসব চীনা পেঁয়াজ প্রতিটি ১০০ টাকার কমবেশি দরে বিক্রি হয়। কেজিপ্রতি এর দাম ২০০ থেকে ২২০ টাকা।

বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে সাতক্ষীরার বড়বাজার ঘুরে দেখা যায়, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মধ্যে পেঁয়াজের পাশাপাশি নতুন করে বেড়েছে আলু ও রসুনের দাম।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা বিপণন কর্মকর্তা এস এম আব্দুল্লাহ বলেন, “বড় সাইজের বিদেশি পেঁয়াজ ৩ থেকে ৪-টিতে এক কেজি হয়। তবে একটি পেঁয়াজ ১০০ টাকা বিক্রি হয়েছে এমন কোনো তথ্য আমার কাছে নেই। অন্যদিনের তুলনায় আজ পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমেছে।”

তিনি আরও বলেন, জেলা প্রশাসকের নির্দেশে নিয়মিত বাজারে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। কোনো ব্যবসায়ী যাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করতে না পারে সে বিষয়েও মনিটরিং করা হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে।