• বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:১৮ রাত

পাপন: আর কতো জোর করে ঔষধের দাম কমিয়ে রাখব?

  • প্রকাশিত ০৭:৪৪ রাত ডিসেম্বর ২, ২০১৯
পাপন
সোমবার (২ ডিসেম্বর) মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় এপিআই শিল্প পার্কে সিইটিপির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ঔষধ শিল্প সমিতির সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন ঢাকা ট্রিবিউন

তিনি বলেন, চাহিদা বেশি থাকলে দামতো বাড়বেই। কাজেই আমাদের এপিআই যত দ্রুত উৎপাদনে যাবে ততো ভাল

বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতির সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেছেন, সরকার সবসময় ঔষধের দাম স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করেছে। তবে সবসময় তা সম্ভব হয় না। ৯৫ ভাগ ঔষধের দামই স্থিতিশীল ছিলো। তবে কাঁচামালের দাম বাড়তে থাকলে সরকারের পক্ষে ঔষধের দাম কমিয়ে রাখা সম্ভব না। প্রতিটি জিনিসের দাম যখন বাড়ে, তখন আর কতো জোর করে ঔষধের দাম কমিয়ে রাখতে পারব?

সোমবার (২ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টায় মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার এপিআই (ঔষধ কাঁচামাল) শিল্প পার্কে কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগারের (সিইটিপি) ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ঔষধ শিল্প সমিতির সভাপতি ও বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের ম্যানেজিং ডিরেক্টর নাজমুল হাসান পাপন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের বাজার অত বড় নয়। তাই বাইরে থেকে ঔষধের কাঁচামাল আমদানি করাই লাভজনক। বিশ্বে সবচেয়ে বড় এপিআই উৎপাদক চীন। তবে কিছুদিন আগে পরিবেশ রক্ষার ইস্যুতে আড়াই হাজারের মতো এপিআই বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কাঁচামালের দাম অনেক বেড়ে গেছে। চাহিদা বেশি থাকলে দামতো বাড়বেই। কাজেই আমাদের এপিআই যত দ্রুত উৎপাদনে যাবে ততো ভাল।

নাজমুল হাসান আরও বলেন, বাংলাদেশে আগে সস্তায় ঔষধ তৈরি করতে পারত। কিন্তু, এখন তা আর থাকবে না। প্রত্যেক জিনিসের দাম যখন বাড়ে তখন ঔষধের দাম আর কত জোর করে কমিয়ে রাখতে পারব? অন্যদিকে ডলারের দামও বেড়ে গেছে। সেজন্য কাঁচামালের দামও বেড়েছে। আমরা পেটেন্টেড ঔষধ বানাতে পারছি না। ২০৩২ সাল পর্যন্ত আমাদের পেটেন্ট মুক্ত থাকার কথা। কিন্তু, তিন বছরের এক্সটেনশনসহ ২০২৭ সাল পর্যন্ত আমরা পেটেন্টমুক্ত থাকতে পারব। সেক্ষেত্রে ২০২৪ সালেই আমাদের পেটেন্টেড ঔষধ বানাতে হবে। আমি বলব এখানে প্যারাসিটামল জাতীয় ঔষধ তৈরি করে লাভ নেই। যেসব ঔষধের দাম বেশি সেগুলো তৈরি করার অনুরোধ করব।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন এর চেয়ারম্যান মো. মোসতাক হাসান, ভারতের রামকি গ্রুপের চেয়ারম্যান অযোধ্যা রামি রেড্ডি প্রমুখ।