• রবিবার, এপ্রিল ০৫, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩৯ রাত

২০১৯ সালে অভিবাসন ১০ শতাংশ কমেছে

  • প্রকাশিত ১০:২২ রাত ডিসেম্বর ২৯, ২০১৯
সংবাদ সম্মেলন
রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এমজেএফ এবং ইউকেইড এর সহায়তায় রামরু আয়োজিত "আন্তর্জাতিক শ্রম অভিবাসন ট্রেন্ড-২০১৯"এর অর্জন ও চ্যালেঞ্জ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলন। ইউএনবি

তবে বিষয়টি বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য নেতিবাচক নয় বলে রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্ট রিসার্চ জানিয়েছে

২০১৯ সালে রেমিটেন্সের প্রবৃদ্ধি সত্ত্বেও বাংলাদেশ থেকে আগের বছরের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ শ্রম অভিবাসন কমেছে বলে রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্ট রিসার্চের (রামরু) একটি গবেষণায় জানা গেছে।

রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এমজেএফ এবং ইউকেইড এর সহায়তায় রামরু আয়োজিত "আন্তর্জাতিক শ্রম অভিবাসন ট্রেন্ড-২০১৯" এর অর্জন ও চ্যালেঞ্জ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান রামরুর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারপার্সন ড. তাসনিম সিদ্দিকী।

রামরু'র গবেষণা প্রতিবেদনে জানানো হয়, ২০১৮ সালে বাংলাদেশ থেকে ৭ লাখ ৩৪ হাজার ১৮১ কর্মী বিদেশে গেছেন। ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ৬ লাখ ৪ হাজার ৬০ জন বাংলাদেশি কর্মী বিভিন্ন দেশে কর্মসংস্থানের জন্য গেছেন। এ ধারা ডিসেম্বর মাসেও অব্যাহত থাকলে আগের বছরের থেকে ১০ শতাংশ কম হবে।

তবে বিষয়টি বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য নেতিবাচক নয় বলে জানান সংস্থাটির চেয়ারপার্সন ড. তাসনিম সিদ্দিকী। তিনি বলেন, "তবে এটি খারাপ বিষয় নয়, কারণ মালয়েশিয়া রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেওয়া বিরত রেখেছে।"

ড. তাসনিম আরও বলেন, "২০১৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত দেশে ১৬ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স এসেছে। এই হার ডিসেম্বর পর্যন্ত অব্যাহত থাকলে ২০১৯ সালে মোট ১৮ দশমিক ১৯ বিলিয়ন ডলার হবে যা আগের বছরের চেয়ে ১৫ দশমিক ০৫ শতাংশ বেশি।"

রামরু'র প্রতিবেদনে নারী অভিবাসীদের নিয়ে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে নারীকর্মীদের ওপর নির্যাতন সত্ত্বেও  ২০১৯ সালে মোট অভিবাসী শ্রমিকের সংখ্যা ৪ দশমিক ৫২ শতাংশ বেড়ে যাবে। চলতি বছর জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ৯৭ হাজার ৪০৩ জন নারীকর্মী বিদেশে গেছেন।