• বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ০২, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৬:৪৫ সন্ধ্যা

নওগাঁয় সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

  • প্রকাশিত ০৯:২০ রাত জানুয়ারী ৭, ২০২০
নওগাঁ
নওগাঁর রাণীনগরে মাঠগুলো সরিষা ফুলে ভরে উঠেছে। ঢাকা ট্রিবিউন

‘বর্তমান আবহাওয়া সরিষার তেমন কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। কারণ শতকরা ৭০ ভাগ সরিষার গাছে দানা এসে গেছে’

নওগাঁর রাণীনগরে মাঠে মাঠে সরিষার হলুদ ফুলের সমারোহ। এসব ফুল থেকে মধু আহরণ করছে লক্ষ লক্ষ মৌমাছি। সরিষা চাষ উপযোগী আবহাওয়া অনুকূলে থাকায়, চলতি মৌসুমে উপজেলায় সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা আশা করছে কৃষি বিভাগ। 

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রধান ফসল বোরো ধান চাষের পূর্বে রবি শস্য হিসেবে সরিষার চাষ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ জমিতে সরিষার চাষের পরই বোরো ধান রোপণের জন্য জমি প্রস্তুত করা শুরু হয়। এছাড়াও সরিষা চাষের পর ওই জমির উর্বরতা শক্তি, উৎপাদন ক্ষমতা এবং ফসলের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়। তাই পরবর্তী ফসল উৎপাদনের সহায়ক হিসেবে কাজ করে এই রবি ফসল সরিষা। 

কৃষি অফিস আরও জানায়, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ২ হাজার ৮শত ৫০ হেক্টর জমিতে বারি সরিয়া-১৪, ১৫ এবং এই প্রথম নতুন উদ্ভাবিত উন্নত ফলনশীল জাত বারি সরিষা-১৭ চাষ করা হয়েছে। ৮টি ইউনিয়নের মধ্যে সদর, মিরাট, গোনা, কালিগ্রাম ও পারইল ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি জমিতে সরিষার চাষ করা হয়েছে। উপজেলার অধিকাংশ সরিষা চাষীদের সম্পূরক রবি ফসল হিসেবে সরিষা চাষে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে সরিষার এই বীজগুলো সরকারের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে প্রদান করা হয়েছে। 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শহীদুল ইসলাম বলেন, “চলতি মৌসুমে বিঘা প্রতি সরিষার ফলন ৬ থেকে সাড়ে ৬ মণ হারে আশা করা হচ্ছে। এছাড়াও সরিষার বাজার দরও অনেক ভালো। সরিষা চাষ পরবর্তী বোরো ধান চাষের জন্য অনেক উপকারী। সরিষা চাষের পর সরিষার গাছ জ্বালানি হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। তাই সব মিলিয়ে একজন সরিষা চাষী বিঘা প্রতি ১০-১১ হাজার টাকা লাভ করতে পারবেন।”

চলমান শৈত্য প্রবাহের বিষয়ে তিনি বলেন, “বর্তমান আবহাওয়া সরিষার তেমন কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। কারণ শতকরা ৭০ ভাগ সরিষার গাছে দানা এসে গেছে। সব মিলিয়ে চলতি মৌসুমে সরিষার বাম্পার ফলন আশা করছি।”