• শনিবার, ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০০ রাত

বাংলাদেশকে বিশেষ নজরে রাখছে ইইউ

  • প্রকাশিত ১০:২৫ সকাল জানুয়ারী ১৩, ২০২০
বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ-এর রাষ্ট্রদূত রেন্সজে তেরিংক।
বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ-এর রাষ্ট্রদূত রেন্সজে তেরিংক। ইউএনবি

'বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শিল্প দুর্ঘটনা রানা প্লাজা ধসের ফলে ইউরোপীয় গ্রাহকদের চোখ খুলে গেছে'

স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) মধ্যে সবচেয়ে বৃহৎ রপ্তানিকারক রাষ্ট্র হওয়ায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বাংলাদেশকে বিশেষ নজরে রেখেছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ-এর রাষ্ট্রদূত রেন্সজে তেরিংক।

রবিবার (১২ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে "ইইউ অ্যান্ড দ্য কনটেম্পরারি গ্লোবাল সিনারিও: এ রিফ্লেকশন ফর দ্য ফিউচার" শীর্ষক সংলাপে বক্তৃতা করার সময় এসব কথা বলেন বলে ইউএনবি'র একটি খবরে বলা হয়। বাংলাদেশি ব্যবসায়ী গোষ্ঠী কসমস গ্রুপের জনহিতকর প্রতিষ্ঠান কসমস ফাউন্ডেশন "ডিস্টিংগুইশ স্পিকার্স লেকচার সিরিজ" শীর্ষক এই সংলাপের আয়োজন করে।

তেরিংক বলেন, "বাংলাদেশ প্রতিবছর ইইউতে বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি করছে। ইইউ এর দেশগুলোতে পাঠানো সব পণ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রায় ৭০ শতাংশ বাণিজ্যিক সুবিধা পেয়ে থাকে। পৃথিবীতে আর এমন কোনো সংগঠন নেই যারা বাংলাদেশকে এধরনের সুবিধা দিয়ে থাকে। এই বাণিজ্যিক সুবিধা অব্যাহত রাখতে দেশের কারখানাগুলো আইএলও মানদণ্ড মেনে চলছে কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আরো অনেক কিছু করতে হবে। বাংলাদেশ যখন থেকে স্বল্পোন্নত রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বৃহৎ রপ্তানিকারক হয়ে ওঠেছে, তখন থেকে বিষয়টি আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়েছে। ফলে, স্বাভাবিকভাবেই ইউরোপীয় ইউনিয়নের জনগণ ও উৎপাদনকারীরা বাংলাদেশের দিকে বিশেষ নজর রাখছেন।"

"ইইউ জোট তখনই পণ্য আমদানি করে যখন কোনো দেশ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) মৌলিক আইনগত অধিকার মেনে চলা নিশ্চিত করে," যোগ করেন ইইউ রাষ্ট্রদূত।

তেরিংক বলেন, "বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শিল্প দুর্ঘটনা রানা প্লাজা ধসের ফলে ইউরোপীয় গ্রাহকদের চোখ খুলে গেছে। তবে, দুর্ঘটনার পর বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি প্রশংসনীয় পরিবর্তন এনেছে। এ কারণেই আমরা অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্স এবং টেকসই সংযোগ তৈরি করেছি।"

কসমস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এনায়েতুল্লাহ খান সংলাপের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরের ইনস্টিটিউট অব সাউথ এশিয়ান স্টাডিজের (আইএসএএস) প্রিন্সিপাল রিসার্চ ফেলো ড. ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী।