• রবিবার, এপ্রিল ০৫, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০৪ রাত

তীব্র শীতে মধ্যাঞ্চলের কৃষকের মাথায় হাত

  • প্রকাশিত ০৯:৪৪ রাত জানুয়ারী ২৩, ২০২০
কৃষক
ঠাণ্ডায় নষ্ট হয়ে যাওয়া বীজতলার পাশে এক কৃষক। ইউএনবি

‘বোরো বীজের চারা কিনে রোপণ করলে আমার আরও অনেক টাকা খরচ হবে। অথচ বাজারে ধানের দাম অনেক কম পাই’

দেশের মধ্যাঞ্চলের (প্রস্তাবিত পদ্মা বিভাগ) ৫ জেলায় তীব্র ঠাণ্ডা ও কুয়াশায় প্রায় ২০ হাজার হেক্টর জমির বোরো ধানের বীজতলা ক্ষতি হয়েছে। এতে ধানের উৎপাদন নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছে কৃষক।

সরেজমিনে দেখা গেছে, গত এক মাস ধরে গড়ে কমপক্ষে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ও ঘন কুয়াশার কারণে মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুর, ফরিদপুর ও রাজবাড়ীর কৃষকের অধিকাংশ বীজতলার চারার পাতার রং হলুদ হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও পুরো বীজতলার চারা মরে গেছে।

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার রামশীল ইউনিয়নের কৃষক সুশান্ত মল্লিক বলেন, আমি ৭ বিঘা জমিতে এবার বোরো ধান রোপণ করব। কিন্তু ধানের যে বীজতলা তৈরি করেছিলাম তা অতি ঠাণ্ডা ও কুয়াশায় নষ্ট হয়ে গেছে। এখন তো বোরো বীজের চারা কিনে রোপণ করলে আমার আরও অনেক টাকা খরচ হবে। অথচ বাজারে ধানের দাম অনেক কম পাই।

এই নষ্ট চারা রোপন করলে ধানের উৎপাদনও অনেক কম হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।

মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার কৃষক প্রেমানন্দ বাড়ৈ বলেন, আমার প্রায় তিন বিঘা জমির জন্য বীজতলা করেছিলাম। বীজতলার সব চারা মরে গেছে।

গোপালগঞ্জের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) আবদুল কাদের বলেন, “আবহাওয়ার ওপরে তো আমাদের কারও হাত নেই। তবে বীজতলার ক্ষতির বিষয়টি কীভাবে কাটিয়ে ওঠা যায়, আমরা সেই পরামর্শ কৃষকদের দিয়ে যাচ্ছি।”

মাদারীপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক জিএএম গফুর বলেন, “ঠাণ্ডা ও কুয়াশায় বোরো ধানের বীজতলার কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। তবে চারা রোপণের পরে আশা করছি, ধানের উৎপাদনে তেমন কোনো সমস্যা হবে না।”