• রবিবার, এপ্রিল ০৫, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:৫৫ রাত

ইউটিউব দেখে স্কোয়াশ চাষে সফল নওগাঁর সৌরভ

  • প্রকাশিত ০৫:১৫ সন্ধ্যা জানুয়ারী ৩১, ২০২০
নওগাঁ
সৌরভের স্কোয়াশ ক্ষেত। ঢাকা ট্রিবিউন

৩ শতাংশ জমিতে সবজির পরিচর্যা, বীজ ও সার ক্রয়সহ এখন পর্যন্ত সৌরভের প্রায় ৩-৪ চারশত টাকা খরচ হয়েছে। কিন্তু সে তুলনায় লাভ অনেক বেশি

নওগাঁর রাণীনগরে পরীক্ষামূলকভাবে বিদেশি সবজি স্কোয়াশ চাষ শুরু হয়েছে। কৃষি বিভাগের সহায়তায় প্রথমবারে ভাল ফলন পেয়ে খুশি স্কোয়াশ চাষি সৌরভ খন্দকার।   

কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, স্কোয়াশ মূলত ইউরোপীয় দেশগুলোর শীতকালীন সবজি। এটি মিষ্টি কুমড়ার মতো সুস্বাদু ও পুষ্টিকর। বেলে দো-আঁশ মাটিতে স্কোয়াশ চাষ ভাল হয়। প্রতিটি স্কোয়াশ গাছ রোপণের পর থেকে প্রায় আড়াই মাসে ১৪ থেকে ১৫টির মতো ফল ধরে। এটি অনেকটা আমাদের দেশের বাঙ্গির মতো দেখতে ও মিষ্টি কুমড়ার স্বাদের। এ সবজির আদি নিবাস অস্ট্রেলিয়ায়। স্কোয়াশ উপজেলায় প্রথমবারের মতো চাষ শুরু হলেও বাজারে এর চাহিদা ও দাম ভালো হয়েছে।

জানা যায়, উপজেলার সিম্বা গ্রামের সৌরভ খন্দকার ইউটিউবে স্কোয়াশ চাষের একটি প্রতিবেদন দেখে সবজিটি চাষে উৎসাহিত। বগুড়া থেকে ১০০ গ্রাম বীজ কিনে তিন কাঠা জমিতে পরীক্ষামূলক ভাবে রোপণ করেন। চারা রোপণের ৩৫ দিনের মধ্যেই গাছে একাধিক স্কোয়াশ ফল ধরতে শুরু করে। প্রতিটি স্কোয়াশের ওজন প্রায় ১ কেজি হতেই স্থানীয় বাজারে বিক্রি শুরু করেন সৌরভ। বর্তমানে বাজারে স্কোয়াশ ২০ থেকে ২৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

৩ শতাংশ জমিতে সবজির পরিচর্যা, বীজ ও সার ক্রয়সহ এখন পর্যন্ত সৌরভের প্রায় ৩-৪ চারশত টাকা খরচ হয়েছে। কিন্তু সে তুলনায় লাভ অনেক বেশি। তাই আগামীতে এই সবজি চাষের পরিধি আরও বৃদ্ধি করবেন বলে জানান সৌরভ।   

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, “সৌরভ স্কোয়াশ চাষে একজন সফল ব্যক্তি। অল্প জায়গায় ও কম পরিশ্রমে অধিক লাভজনক একটি সবজি স্কোয়াশ। আমরা এই সবজি চাষে সৌরভকে সার্বক্ষণিক পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান করে আসছি। আগ্রহী অন্য যে কেউ এই সবজি চাষে আমাদের কাছে পরামর্শ ও সহযোগিতা নিতে পারেন।”