• শুক্রবার, এপ্রিল ০৩, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:৩৫ দুপুর

সঞ্চয় অধিদপ্তর: মুনাফার হার কমানো হয়নি

  • প্রকাশিত ১০:৩১ রাত ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২০
সঞ্চয়পত্র
সৌজন্য

‘সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে মুনাফার হার কমানোর বিষয়ে যেসব সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে তা বিভ্রান্তিকর ও অসঙ্গতিপূর্ণ তথ্য সম্বলিত। এ ধরনের সংবাদ বিনিয়োগকারী বা সাধারণ জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করছে’

সঞ্চয়পত্র বা সঞ্চয় স্কিমসমূহের মুনাফার হার কমানো হয়নি বলে জানিয়েছে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায়।

সংস্থাটি জানিয়েছে, সঞ্চয়পত্রসমূহের মুনাফার হার ৫ বছর মেয়াদী সঞ্চয়পত্র ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ, ৩ মাস অন্তর মুনাফা ভিত্তিক সঞ্চয়পত্র ১১ দশমিক শূণ্য ৪ শতাংশ, পরিবার সঞ্চয়পত্র ১১ দশমিক ৫২ শতাংশ ও পেনশনার সঞ্চয়পত্র ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ পূর্বের ন্যায় বলবৎ রয়েছে।

এছাড়া অনিবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বিদ্যমান ৩টি বন্ডের মুনাফার হারও কমানো হয়নি অর্থাৎ পূর্ব নির্ধারিত হার ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড ১২ শতাংশ, ইউ.এস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড ৭ দশমিক ৫ শতাংশ ও ইউ.এস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ড ৬ দশমিক ৫ শতাংশ বলবৎ রয়েছে।

সংস্থাটির মহাপরিচালক স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে মুনাফার হার কমানোর বিষয়ে যেসব সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে তা বিভ্রান্তিকর ও অসঙ্গতিপূর্ণ তথ্য সম্বলিত। এ ধরনের সংবাদ বিনিয়োগকারী বা সাধারণ জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করছে।

জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর বলছে, বিনিয়োগ উৎসাহিত করার জন্য সকল ব্যাংক ঋণের সুদের হার একক অংকে নামিয়ে আনার সরকারি অনুশাসনের ধারাবাহিকতায় গত ১৩ ফেব্রুয়ারি অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণাধীন ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংক- সাধারণ হিসাব এবং ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংক- মেয়াদী হিসাবের মুনাফার হার হ্রাসপূর্বক পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে।

পুনঃনির্ধারণের হার হলো ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংক সাধারণ হিসাব ৫ শতাংশ, ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংক-মেয়াদী হিসাব ৬ শতাংশ (মেয়াদান্তে), ৬ মাস অন্তর মুনাফা উত্তোলন না করলে ১ম বছরান্তে ৫ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরান্তে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ ও তৃতীয় বছরান্তে ৬ শতাংশ এবং ৬ মাস অন্তর মুনাফা উত্তোলন করলে ১ম বছরান্তে ৪ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরান্তে ৪ দশমিক ৫ শতাংশ ও তৃতীয় বছরান্তে ৫ শতাংশ।