• রবিবার, এপ্রিল ০৫, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:১৮ দুপুর

করোনাভাইরাস: কারখানা বন্ধের সুপারিশ বিজিএমইএ’র

  • প্রকাশিত ০৯:৪৬ রাত মার্চ ২৬, ২০২০
পোশাক শ্রমিক-নারী শ্রমিক
প্রতীকী ছবি মাহমুদ হোসেন অপু/ঢাকা ট্রিবিউন

‘কেউ যদি কারখানা খোলা রাখতে চায়, তাদের শ্রমিকদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে হবে এবং শ্রমিকদের দায়িত্ব নিতে হবে’

করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) বিস্তার রোধে জাতি লড়াই করছে মন্তব্য করে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির  (বিজিএমইএ) সভাপতি রুবানা হক মালিকদের কারখানা বন্ধ করার বিষয়টি বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, কোভিড-১৯ মহামারির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছেন এবং সবার সুরক্ষা ও সুস্থতার জন্য সতর্কতা অবলম্বন করতে বলেছেন।

তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ দেশের বৃহত্তম শিল্প হিসেবে আমাদের একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করা উচিত, আশাকরি আপনি যথাসময়ে আপনার কারখানা বন্ধ করার বিষয়টি বিবেচনা করবেন।”

রুবানা হক আরও বলেন, “কেউ যদি কারখানা খোলা রাখতে চায়, তাদের শ্রমিকদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে হবে এবং শ্রমিকদের দায়িত্ব নিতে হবে।”

গত বুধবার (২৫ মার্চ) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি রফতানিমুখী শিল্পের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করছি। এ তহবিলের অর্থ দিয়ে কেবলমাত্র তাদের শ্রমিক ও কর্মচারিদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা যাবে।”

প্রধানমন্ত্রীর ওই ঘোষণার পর, তাৎক্ষণিক এক ভিডিওবার্তায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বিজিএমইএর সভাপতি রুবানা হক বলেন, “আমাদের শ্রমিক ও শিল্পের প্রতি আপনার অন্তহীন সহানুভূতির জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ।”

প্রসঙ্গত, চীনের পর বাংলাদেশ তৈরি পোশাক রফতানিতে দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ। এই খাত থেকেই বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে। এছাড়া ৪০ লাখেরও বেশি মানুষ খাতটির সঙ্গে সম্পৃক্ত যাদের বেশিরভাগই নারী।

এরআগে, যখন করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ায় একের পর এক ক্রয় আদেশ বাতিল ও পণ্য পাঠানোর প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছিল, তখন বিজিএমইএ সরকারের কাছে সাহায্য চেয়েছিল।

জানা গেছে, সংগঠনটির ৯৫৯টি কারখানার দেওয়া হিসেবে জানা গেছে, ২.৬৭ বিলিয়ন ডলারের ৮২৬.৪২ মিলিয়ন পিস কাপড়ের ক্রয়াদেশ বাতিল হয়েছে। ফলে শিল্পটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ১.৯৫ মিলিয়ন শ্রমিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।