Wednesday, May 29, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

রাজশাহীর মাঠে রয়েছে ৮৯ শতাংশ বোরোধান, উদ্বিগ্ন কৃষক

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক শামসুল হক জানান, রাজশাহী জেলায় ৬৬ হাজার ২৬৫ হেক্টর জমিতে বোরোধান আবাদ হয়েছে। এরমধ্যে বুধবার পর্যন্ত মাত্র ১১ শতাংশ জমির ধান কাটা হয়েছে

আপডেট : ০৬ মে ২০২০, ১০:৫৯ পিএম

নওগাঁ, নাটোর জেলায় বোরোধান কাটা শেষ পর্যায়ে হলেও রাজশাহীতে ৮৯ শতাংশ মাঠে পড়ে আছে। লকডাউনে শ্রমিক সংকট, ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কায় পাকা ধান কেটে নিরাপদে ঘরে তোলা নিয়ে উদ্বিগ্ন রয়েছে কৃষক। 

তবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভাষ্য, সবঠিকঠাক থাকলে আগামী ২০-২৫ দিনের মধ্যে রাজশাহী জেলায় ধান কেটে কৃষকরা ঘরে তুলতে সক্ষম হবে।  

রাজশাহীর তানোর উপজেলায় গত ৮ দিন থেকে ধান কাটা শুরু হয়েছে। উপজেলার মোহনপুর গ্রামের কৃষক আবদুল খালেক বলেন, আমি ৩০ বিঘা জমিতে বোরো আবাদ করেছি। ইতোমধ্যে ক্ষেতের ধান পেকে উঠেছে। দুই একদিন পরেই ধানকাটা শুরু হবে। কিন্তু শ্রমিক পাবো কিনা সন্দেহ হচ্ছে। এবার করোনাভাইরাসের কারণে তারা আসতে পারবে কি না জানি না।

তানোরের চিমনা গ্রামের কৃষক রবিউল ইসলাম বলেন, এ বছর যদি সময়মতো ধান ঘরে তুলতে না পারি তাহলে আমাদের আর কোনো উপায় থাকবে না। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই বোরো ধানই আমাদের একমাত্র ভরসা।

মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট পৌর এলাকার তিলাহারি গ্রামের কৃষক এনামুল হক বলেন, এ বছর ধানের ফলন ভাল হয়েছে। করোনা সংকটের কারণে ধান কাটতে শ্রমিক সংকট রয়েছে। আমার ৫ বিঘা জমিতে বোরোধান রয়েছে।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক কৃষিবিদ শামসুল হক জানান, রাজশাহী জেলায় ৬৬ হাজার ২৬৫ হেক্টর জমিতে এবার বোরোধান আবাদ হয়েছে। এরমধ্যে বুধবার (০৬ মে) পর্যন্ত ১১ শতাংশ জমির ধান কাটা হয়েছে। রাজশাহী জেলায় আলুসহ অন্য ফসল ঘরে তোলার পর বোরো ধান আবাদ শুরু করে কৃষকরা। এ জন্য নওগাঁ ও নাটোরের চেয়ে রাজশাহীতে আবাদ একটু দেরিতে শুরু হয়। তবে নওগাঁ ও নাটোরের মতো ধান ঘরে তোলার জন্য শ্রমিক সংকট তেমন হবে না। কারণ রাজশাহীর গোদাগাড়ী, তানোর, মোহনপুর, পবা ও বাগমারায় বেশি বোরো আবাদ করা হয়। জেলার অন্য উপজেলায় তেমন বোরোধান আবাদ না হওয়ায় সেখানকার শ্রমিকগুলোকে এ সময় পাওয়া যায়। এছাড়াও নাটোর ও নওগাঁ জেলার ধানকাটা শেষপর্যায়ে হওয়ায় সেসব এলাকার শ্রমিকরাও এখানে এসে ধান কাটবে।

তিনি বলেন, “রাজশাহী জেলায় প্রযুক্তির সাহায্যে মাধ্যমে ধান কাটার জন্য কৃষকদের মাঝে ৪৫টি কম্বাইন্ড হারভেস্টার মেশিন ও ৪০টি রিপার মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। আশাকরা যায় আগামী ২০-২৫দিনের মধ্যে রাজশাহী জেলায় ধান কাটা শেষ করা হবে।”

About

Popular Links