Thursday, May 23, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

লকডাউনে সাইকেল বিক্রি বেড়েছে ৩ গুণ!

‘করোনাভাইরাসের কারণে গণপরিবহন ব্যবহার করতে আতঙ্ক কাজ করে, সাইকেল গণপরিবহনের তুলনায় অনেকটাই নিরাপদ’

আপডেট : ১১ জুন ২০২০, ০৪:১৪ পিএম

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউনের মধ্যে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় রাজধানীতে সাইকেল বিক্রির হার বেড়েছে তিনগুণ। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে সহায়ক ও একইসঙ্গে সাশ্রয়ী হওয়ায় লকডাউনের সময় সাধারণ চাকরিজীবীদের থেকে শুরু করে যে কারোর পছন্দের শীর্ষে রয়েছে এ পরিবেশবান্ধব এ বাহনটি।

বাংলাদেশ সাইকেল মার্চেন্ট এসেম্বলিং এ ইমপর্টারস এসোসিয়েশন (বিবিএমএআইএ) তথ্যানুসারে, প্রতিবছর স্থানীয় বাজারে সাইকেলের চাহিদা থাকে ১.৫ মিলিয়নের কাছাকাছি। যার বাজার মূল্য চার হাজার কোটি টাকা। ২০১০ সাল থেকে প্রতিবছর ১০% থেকে ১৫% করে সাইকেল বিক্রি বাড়ছে।

পুরান ঢাকার বংশালে ১৫০টির মতো সাইকেলের দোকান রয়েছে।যার মধ্যে মা সাইকেল কর্নারও একটি নামে একটি দোকানের প্রোপাইটর মো. বাবুল বলেন, “সাধারণত  প্রতিদিন আমরা ৩ থেকে ৪টি সাইকেল বিক্রি করি। তবে বর্তমান লকডাউন পরিস্থিতিতে প্রতিদিন ৮ থেকে ১০টি করে সাইকেল বিক্রি করছি আমরা।

ইসহাক আরাফাত নামে শুক্কুর সাইকেল স্টোরের প্রোপাইটর বলেন, “সাইকেল বিক্রির মাত্রা প্রচুর বেড়েছে। যেকোনও সময়ের তুলনায় বংশালের সব দোকানেই সাইকেল বিক্রির মাত্রা বেড়েছে। এমনকি চাহিদা পূরণে স্থানীয় নির্মাতা থেকে শুরু করে আমদানিকারকরাও হিমশিম খাচ্ছে। কারণ পর্যাপ্ত সাইকেলের স্টক আমাদের  নেই।”

বিক্রম সাইকেল মার্টের এক বিক্রেতা বলেন, “১১ হাজার টাকা থেকে শুরু ৪৫ হাজার টাকার মধ্যে থাকা সাইকেলগুলোর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।”

এ প্রসঙ্গে আব্দুর রহমান নামে এক সাইকেল ক্রেতা বলেন, “প্রতিদিন বাসে করে অফিসে যেতে হয়, প্রতিবার আসা-যাওয়াতেই খরচ হয় প্রায় ৪০ টাকা। সাইকেল ব্যবহার করলে মাসে প্রায় ১,০০০ টাকা কম খরচ পড়ে।”

রতন মন্ডল নামে অপর এক ক্রেতা বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে গণপরিবহন ব্যবহার করতে আতঙ্ক কাজ করে। সাইকেল গণপরিবহনের তুলনায় অনেকটাই নিরাপদ।

তবে ব্যবসায়ীদের মতে, যদিও বাংলাদেশে আমদানি-নির্ভর সাইকেলের চাহিদাই বেশি তবে স্থানীয় উৎপাদকরা রপ্তানির মাধ্যমেও একটি ভাল মুনাফা অর্জন করছে।

২০১৭-১৮ অর্থবছরে সাইকেল রপ্তানি শিল্পে ৮৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে বাংলাদেশ। 

About

Popular Links