Friday, May 31, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

স্বাস্থ্যখাত টেনে তুলতে বরাদ্দ ২৯২৪৭ কোটি টাকা

২০১৯-২০ অর্থবছরে এই খাতে বরাদ্দ ছিল ২৫ হাজার ৭৩২ কোটি টাকা

আপডেট : ১১ জুন ২০২০, ১০:০০ পিএম

দেশে করোনাভাইরাস মহামারিতে স্বাস্থ্যখাতের যে চেহারা ফুটে উঠেছে তা থেকে উত্তোরণের জন্য বৃহস্পতিবার (১১ জুন) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল স্বাস্থ্যসেবা ও স্বাস্থ্য শিক্ষা খাতে ২৯ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেছেন। যা গত বছরের সংশোধিত বরাদ্দের চেয়ে ২৩.৪৪ শতাংশ বেশি।

সংসদে ২০২০-২১ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট উত্থাপনের সময় মন্ত্রী এই প্রস্তাব করেন।

“আমি স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের জন্য ২০২০-২০২১ অর্থবছরে ২৯ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করছি। যা ২০১৯-২০ অর্থবছরে ছিল ২৫ হাজার ৭৩২ কোটি টাকা,” মন্ত্রী বলেন।

তিনি বলেন, বর্ধিত বরাদ্দ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ খাতের জন্য কোভিড -১৯-এর বিরুদ্ধে পরিচালিত কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার প্রদানে প্রস্তাব করা হয়েছে।

কামাল বলেন, বর্তমানে ১৩টি মন্ত্রণালয় এবং বিভাগ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সম্পর্কিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

“২০২০-২০২১ অর্থবছরে এই উদ্দেশ্যে ৪১ হাজার ২৭ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যা জিডিপির ১.৩ শতাংশ এবং মোট বাজেটের বরাদ্দের ৭.২ শতাংশ।”

কামাল বলেন, তারা দেশের নাগরিকদের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গত ১০ বছরে স্বাস্থ্যখাতের জন্য বরাদ্দ যথেষ্ট পরিমাণে বৃদ্ধি করেছে।

পাশাপাশি তিনি বলেন, তারা সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণে এবং স্বাস্থ্যখাতের অবকাঠামোগত উন্নতি করতে বিভিন্ন প্রকল্প / কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো কুষ্টিয়া, সিরাজগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, জামালপুর, পটুয়াখালী, টাঙ্গাইল ও সুনামগঞ্জে নতুন মেডিকেল কলেজ স্থাপন, “ডিজিটাল বাংলাদেশ” বাস্তবায়নের জন্য ই-স্বাস্থ্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আটটি উপজেলায় স্বাস্থ্য সুরক্ষার কর্মসূচি সম্প্রসারণ (এসএসকে) এবং জেলা, বিভাগীয় এবং জাতীয় পর্যায়ে মাধ্যমিক ও তৃতীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স স্থাপন।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন আরও তিন হাজার ১৮৭ জন এবং নতুন করে মৃত্যু হয়েছে ৩৭ জনের।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সারাদেশে মোট ৭৮ হাজার ৫২ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। মারা গেছেন মোট এক হাজার ৪৯ জন।

About

Popular Links