Tuesday, May 28, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

কাঁচা পাট রফতানি বন্ধ চান মিল মালিকরা

কাঁচা পাট সরবরাহ ঘাটতির কারণে পাটকল বন্ধ হয়ে গেলে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ক্রেতাগণ পাটপণ্য ব্যবহার থেকে সরে দাঁড়াবে, যা পাট শিল্পকে দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতিতে ফেলবে

আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:৫০ পিএম

সঙ্কট মেটাতে বেসরকারিখাতের পাটকল মালিকরা কাঁচা পাট রফতানি নিরুৎসাহিত করার উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। এ জন্য তারা সরকারকে টন প্রতি কাঁচা পাট রফতানির ওপর ২৫০ মার্কিন ডলার রফতানি শুল্ক আরোপের সুপারিশ করেছে। 

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর গুলশানে হোটেল লেকশোরে সংবাদ সম্মেলনে বেসরকারি পাটকল মালিকরা এসব দাবি জানান।

লিখিত বক্তব্যে বাংলাদেশ জুট মিলস এসোসিয়েশনের (বিজেএমএ) সভাপতি মোহাম্মদ মাহবুবুর রাহমান পাটোয়ারী বলেন ,বর্তমান পাট মৌসুমে কাঁচা পাটের ফলন খরা ও অতি বন্যার কারণে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পাটের এই ভরা মৌসুমে এরই মধ্যে পাটের বাজারে বিরূপ প্রভাব পড়া শুরু করেছে। দেশে প্রতিবছর যেখানে ৭৫ লাখ বেল পাট উৎপাদন হয়, সেখানে এ বছর করোনাভাইরাস, আম্পান ও বন্যার কারণে ৫৫ লাখ বেল পাট উৎপাদন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত বছরের তুলনায় চলতি বছর প্রায় ৩০ শতাংশ পাট কম উৎপাদন হবে। 

তিনি আরও বলেন, দেশে পাট শিল্পের জন্য পাটের প্রয়োজন হবে ৬০ লাখ বেল, গৃহস্থালি ব্যবহারের জন্য প্রয়োজন ৫ লাখ বেল। সবমিলিয়ে মোট কাঁচা পাটের প্রয়োজন হবে ৬৫ লাখ বেল। কিন্তু চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে কাঁচাপাট রফতানি বেড়েছে ৫০ শতাংশ। এভাবে কাঁচা পাট রফতানি হলে আরও সঙ্কটে বাড়বে। পাটের অভাবে মিলগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। তাই সরকার যদি এখনই কাঁচা পাট রফতানি নিরূৎসাহিত না করে, তাহলে দেশে পাট শিল্প মারাত্বক ক্ষতির মুখে পড়বে।

মাহবুবুর রাহমান বলেন, জুলাই ও আগস্টে দেখা গেছে দেশের সবচেয়ে ভাল মানের পাট যেটি বাংলা তোসা, সেটি রফতানি হয়েছে। মূলত রফতানিজাত পাট পণ্য তৈরিতে এই পাট ব্যবহার হয়। কাঁচা পাট সরবরাহ ঘাটতির কারণে পাটকল বন্ধ হয়ে গেলে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ক্রেতাগণ পাটপণ্য ব্যবহার থেকে সরে দাঁড়াবে, যা পাট শিল্পকে দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতিতে ফেলবে।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ জুট স্পীনার্স এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মো. জাহিদ মিয়া, বাংলাদেশ বহুমূখী পাটপণ্য উৎপাদন ও রফতানিকারক সমিতির সভাপতি মো. রাশিদুল করিম মুন্না উপস্থিত ছিলেন।

About

Popular Links