Wednesday, May 22, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

দেশের রিজার্ভ ৪৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে

বর্তমানের রিজার্ভ দিয়ে প্রতিমাসে ৪ বিলিয়ন ডলার হিসেবে প্রায় সাড়ে ১০ মাসের বেশি সময়ের আমদানিব্যয় মেটানো সম্ভব

আপডেট : ৩১ ডিসেম্বর ২০২০, ০৯:২১ এএম

বিশ্বে চলমান মহামারির মধ্যেই বাংলাদেশের বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন ৪৩ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে।

বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) দিন শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৩.১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে, যা অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি।

এই খবরে সন্তোষ প্রকাশ করে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, “নতুন বছরের শুরুতেই জাতির জন্য এটি একটি অত্যন্ত সুখকর ঘটনা।” মূলত প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সের ওপর ভর করেই রিজার্ভ নতুন এই উচ্চতায় উঠেছে। সেজন্য প্রবাসীদের কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান তিনি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য থেকে দেখা যায়, গত ১৫ ডিসেম্বর রিজার্ভ ৪২ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়। দুই সপ্তাহে রিজার্ভে যোগ হয়েছে আরও এক বিলিয়ন ডলার। গত একবছরে রিজার্ভ বেড়েছে ১১ বিলিয়ন ডলারের মত। ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর রিজার্ভে ছিল ৩২.৪৩ বিলিয়ন ডলার।

বর্তমানের রিজার্ভ দিয়ে প্রতিমাসে চার বিলিয়ন ডলার হিসেবে প্রায় সাড়ে ১০ মাসের বেশি সময়ের আমদানিব্যয় মেটানো সম্ভব। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, একটি দেশের কাছে অন্তত তিনমাসের আমদানিব্যয় মেটানোর সমপরিমাণ বিদেশি মুদ্রার মজুদ থাকতে হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলেছেন, আগামী জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে আকুর নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসের বিল পরিশোধ করতে হবে। তার আগ পর্যন্ত রিজার্ভ ৪৩ বিলিয়ন ডলারের উপরেই থাকবে।

গত কয়েক বছর ধরেই রিজার্ভ ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। ১০ বছর আগে ২০০৯-১০ অর্থবছরের জুন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ১০.৭৫ বিলিয়ন ডলার। ২০১৩-১৪ অর্থবছর শেষে সেই রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়।

৩০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে গত বছরের অক্টোবরে। চলতি বছরের ৩০ জুন সেই রিজার্ভ বেড়ে ৩৬ বিলিয়ন ডলারে ওঠে। অক্টোবরের ৮ তারিখে ছাড়ায় ৪০ বিলিয়ন ডলার।

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যেই চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ২.৬ বিলিয়ন ডলারের রেমিটেন্স এসেছিল দেশে, যা এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ।

চলতি ডিসেম্বর মাসের ২৯ দিনে ১৯১ কোটি ২০ লাখ ডলারের রেমিটেন্স এসেছে। গতবছরের একই সময়ে এসেছিল ১৫৯ কোটি ৭০ লাখ ডলার।

About

Popular Links