Sunday, May 26, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

সিরাজগঞ্জে বিনাচাষে রসুনের বাম্পার ফলন

জমির পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে কৃষকেরা কাঁদা মাটিতে সার ছিটানোর পর বিনাচাষে রসুন বোনা হয়। পরে এ রসুন খড় বা নাড়া দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়

আপডেট : ০২ এপ্রিল ২০২১, ১২:৫৪ পিএম

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার মাঠ জুড়ে এবারও বিনাচাষে বোনা রসুনের বাম্পার ফলন হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। মাঠে মাঠে পুরুষদের সাথে নারীরাও এখন রসুন তোলায় ব্যস্ত সময় পার করছেন

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শস্যভান্ডার খ্যাত এবার চলনবিলের উপজেলার চর হামকুড়িয়া, চর কুশাবাড়ী, নাদো সৈয়দপুর, ধামাইচ, সবুজপাড়া, বিন্নাবাড়ী, দিঘী সগুনা, কুন্দইল, ধামাইচ, মাগুড়াবিনোদ, বারুহাসসহ বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলের মাঠে বিনা চাষে রসুনের চাষ করা হয়।

এ প্রসঙ্গে কৃষক আব্দুর রাজ্জাক, কোরবান আলীসহ অনেকেই জানান, এ অঞ্চলে প্রতি বছরই বিনাচাষে রসুন চাষাবাদ করা হয়ে থাকে। ধান চাষে তেমন লাভ না হওয়ায় বিনাচাষে এই রসুন চাষাবাদে ঝুকেছে কৃষকেরা। তবে শীত মৌসুমে বিনাচাষে এ রসুন বোনা হলেও সার-বীজ-কীটনাশক দিয়ে খরচ হয়ে থাকে অনেক। এবার রসুন চাষে বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রতি বিঘা জমিতে প্রায় সাড়ে ৭ টন রসুন উৎপাদন হবে।

উৎপাদিত রসুন স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ইতোমধ্যেই দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে। বর্তমানে হাট-বাজারে প্রতি কেজি রসুন গড়ে ৬০-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজার মূল্য ভালো থাকলে এ রসুন চাষে স্বাবলম্বী হবেন বলে তারা জানান।

উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, গত বছর এ উপজেলায় ৪৪০ হেক্টর জমিতে রসুনের চাষাবাদ হয়েছে। এ বছর ৪৪০ হেক্টর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও ৫১৭ হেক্টর জমিতে রসুন চাষাবাদ করেছে কৃষকেরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার ফলনও ভালো হয়েছে।

ইতোমধ্যেই এ অঞ্চলের কৃষকেরা সিংহভাগ রসুন ঘরে তুলেছেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবু হানিফ বলেন, “শীতের মৌসুমে চলনবিলের জমির পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে কৃষকেরা কাঁদা মাটিতে সার ছিটানোর পর বিনাচাষে রসুন বোনা হয়। পরে এ রসুন খড় বা নাড়া দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়। এ কৌশল অবলম্বনে ফলন ভালো হয়ে থাকে। জেলায় এবার ১ হাজার ৪ হেক্টর জমিতে রসুনের আবাদ হয়েছে।”

চলনবিলে এই পদ্ধতিতে রসুন বেশি চাষ হয়ে থাকে বলে জানান এই কৃষি কর্মকর্তা।

About

Popular Links