Sunday, May 19, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ইভ্যালির বিষয়ে তথ্য চেয়ে বিভিন্ন সংস্থায় চিঠি দিয়েছে দুদক

ইভ্যালির বিরুদ্ধে চলমান অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে তথ্য–উপাত্ত চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানান দুদক সচিব

আপডেট : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৫৭ পিএম

আলোচিত ই–কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত চেয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার (২ সেপ্টেম্বর) সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এ কথা জানান সংস্থাটির সচিব মু আনোয়ার হোসেন হাওলাদার।

ইভ্যালির বিরুদ্ধে চলমান অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে তথ্য–উপাত্ত চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানান দুদক সচিব।

ইভ্যালির মাধ্যমে মানি লন্ডারিং–সংক্রান্ত অপরাধ বা জনগণ বা রাষ্ট্রের অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি কতটুকু হয়েছে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি বলেও জানান তিনি।

অনুসন্ধানে নেমে দুদক কর্মকর্তারা ইভ্যালির বিষয়ে কিছু নথিপত্র সংগ্রহ করেছেন। আরও তথ্য জানার জন্য তারা সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর, বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন, যৌথ মূলধনি কোম্পানি ও ফার্মগুলোর নিবন্ধকের পরিদফতর (আরজেএসসি) ইত্যাদি সংস্থায় চিঠি পাঠিয়েছে বলে দুদক সূত্রে জানা গেছে।

তবে দুদক শুধু ইভ্যালি নিয়ে নয়, অন্য সংস্থাগুলোও কাজ করছে জানিয়ে মু আনোয়ার হোসেন হাওলাদার বলেন, “অন্য সংস্থাগুলোর তদন্তের অগ্রগতি, তাদের পদক্ষেপগুলোও অনুসন্ধানের স্বার্থে আমলে নেবে দুদক।”

প্রসঙ্গত, এর আগে ইভ্যালির “সম্পদের চেয়ে ছয় গুণ বেশি দেনা” বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে তথ্য উঠে আসে। প্রতিবেদনে উঠে আসে ইভ্যালির মোট দায় ৪০৭ কোটি টাকা। প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকের কাছ থেকে অগ্রিম নিয়েছে ২১৪ কোটি টাকা, আর মার্চেন্টদের কাছ থেকে বাকিতে পণ্য নিয়েছে ১৯০ কোটি টাকার। স্বাভাবিক নিয়মে প্রতিষ্ঠানটির কাছে কমপক্ষে ৪০৪ কোটি টাকার চলতি সম্পদ থাকার কথা। কিন্তু সম্পদ আছে মাত্র ৬৫ কোটি টাকার।

এদিকে গত ১৯ আগস্ট বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে সম্পদ ও দা‌য়ের হিসাব দেয় ইভ্যালি। সেখানে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, তার নিজের ব্র্যান্ড মূল্য ৪২৩ কোটি টাকা। গত ১৫ জুলাই পর্যন্ত তাদের মোট দায় ৫৪৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে এক কোটি টাকা শেয়ারহোল্ডার হিসেবে কোম্পানির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেল কোম্পানিকে দিয়েছেন। বাকি ৫৪৩ কোটি টাকা হচ্ছে কোম্পানিটির চলতি দায়।

About

Popular Links