Tuesday, May 28, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

‘ধামাকার’ ১১৭ কোটি টাকা পাচারের প্রমাণ সিআইডির হাতে

শুরুতে কিছু গ্রাহককে পণ্য দিলেও পরবর্তীতে আর কাউকেই পণ্য না দিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করে প্রতিষ্ঠানটি

আপডেট : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৪৯ পিএম

কথিত ই-কমার্স ব্যবসার নামে অস্বাভাবিক স্বল্পমূল্যে পণ্য দেওয়ার লোভ দেখিয়ে গ্রাহকের কাছ থেকে নেওয়া প্রায় ১১৭ কোটি টাকা পাচার করেছে “ধামাকা শপিং”। এ অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

ইংরেজি দৈনিক দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

এজন্য প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এসএমডি জসিম উদ্দিন চিশতি, তার স্ত্রী, তিন সন্তান ও ধামাকা শপিংয়ের এক পরিচালক এবং চারটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) মামলা করেছে সিআইডি।


আরও পড়ুন- ‘ধামাকার’ বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের মামলা


মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবগুলোর জমা ও উত্তোলন স্লিপ এবং দেশের বাইরে সম্পদের তথ্য পাওয়া গেলে পাচার করা অর্থ এবং সম্পদের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

এজাহার সূত্রে জানায়, ধামাকা শপিং প্রায় ৫ লাখ গ্রাহকের কাছ থেকে বিভিন্ন লোভনীয় অফারে পণ্য দেওয়ার নামে ৮০৩.৫১ কোটি টাকা নেয়। শুরুতে কিছু গ্রাহককে পণ্য দিলেও পরবর্তীতে আর কাউকেই পণ্য না দিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করেছে এ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানটি।

এছাড়াও, ৬০০ প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ২০০ কোটি টাকার পণ্য নিলেও এখন পর্যন্ত তাদেরকে কোনো টাকা পরিশোধ করেনি ধামাকা শপিং।

দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা ধামাকা শপিংয়ের এমডি জসিম উদ্দিন চিশতি, তার স্ত্রী ও সন্তান গত জুলাই থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আছেন। প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে দেশে আছেন কেবল পরিচালক (অপারেশন) সাফওয়ান আহমেদ ।

এই পাচারের একটি অংশ চিশতি পরিবার যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে গেছে বলেও উঠে এসেছে সিআইডির তদন্তে।

অনলাইন প্লাটফর্ম ব্যবহার করে ই-কমার্সের নামে বিভিন্ন পণ্যের লোভনীয় অফার ও ভার্চুয়াল সিগনেচার কার্ড বিক্রি করে অর্থ পাচারের অভিযোগে ধামাকা শপিংয়ের বিরুদ্ধে গত ৩০ জুন থেকে অনুসন্ধানে নামে সিআইডি।

দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের তথ্য পাওয়ায় বৃহস্পতিবার সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার আল আমিন হোসেন বনানী থানায় অর্থপাচার আইনে মামলা করেন।

মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার আইন, ২০১৫ এর ৪ (২), ৪ (৪) ধারায় অভিযোগ আনা হয়।

About

Popular Links