Saturday, May 18, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

কৃষকরা বেচেন ১০০ টাকায় আমরা কিনি ৩০০-তে

সরকার এ ধরনের বৈষম্যমূলক মূল্য কাঠামোর কারণ খুঁজে বের করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে

আপডেট : ২০ জানুয়ারি ২০২২, ০৫:৫৪ পিএম

উৎপাদিত কৃষিপণ্য কৃষক যে দামে বিক্রি করেন গ্রাহককে কিনতে হয় তার চেয়ে তিনগুণ বেশি দামে। কারণ, প্রান্তিক কৃষক থেকে বড় বড় শহরের বাজারে আসা পর্যন্ত একাধিক পয়েন্টে পণ্যবাহী গাড়িকে দিতে হয় অবৈধ টোল। রয়েছে আরও নানা অদৃশ্য কারণ। এ ধরনের বৈষম্যমূলক মূল্য কাঠামোর অবসান ঘটাতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। কেন এবং কোথায় সবজি ও খাদ্যশস্য বহনকারী পরিবহন অবৈধ টোল দিচ্ছে এবং কোন কোন জায়গায় অদৃশ্য খাতে খরচ হচ্ছে তা খুঁজে বের করবে কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসকদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উচ্চ-পর্যায়ের সরকারি এ বৈঠকে খাদ্যমন্ত্রী এবং কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, “একজন কৃষক যে পণ্য কেজিপ্রতি ১৫ টাকায় বিক্রি করেন, ঢাকার বাজারে সেই একই পণ্যের দাম কেন প্রতি কেজিতে ৪৫ টাকা হবে?”

তিনি জানান, সারাবিশ্বেই খাদ্যপণ্য সরবরাহ বাজারে মধ্যস্বত্বভোগীরা থাকে, কিন্তু দামের এমন আকাশ-পাতাল তারতম্য কোথাও দেখা যায়নি।

পণ্যবোঝাই ট্রাকগুলোকে কোথায় টোল দিতে হয় আর অতিরিক্ত টাকা কোন খাতে ব্যয় হয় তা খুঁজে বের করতে সরকার একটি সমীক্ষাও চালাবে বলে জানান কৃষিমন্ত্রী।

আবদুর রাজ্জাক জানান, মন্ত্রণালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং জেলা প্রশাসন একসঙ্গে এ সমীক্ষা পরিচালনা করবে। তবে এ সমীক্ষা সম্পন্ন করার কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা তিনি উল্লেখ করেননি।

দেশে উৎপাদক ও ভোক্তা উভয়পক্ষই দীর্ঘদিন ধরে মধ্যস্বত্বভোগী এবং খাজনা আদায়কারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে আসছেন। এমনই এক সময়ে এই পদক্ষেপের কথা জানা গেলো। একদিকে যেখানে মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণে ঢাকার বাজারে পণ্যের দাম বাড়ছে, অন্যদিকে খাজনা আদায়কারীরা লাভের বড় অংশ নিয়ে যাচ্ছেন।

উৎপাদিত ফসলের জন্য কৃষকের ন্যায্য দাম না পাওয়া এবং শহরের ভোক্তাদের অতিরিক্ত দামে পণ্য কেনার অসহায়ত্বের বিষয়গুলো নিয়ে গণমাধ্যমেও অনেক লেখালেখি হয়েছে।

About

Popular Links