Saturday, May 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ভোজ্যতেলের দাম কমার সম্ভাবনা নেই

কারণ হিসেবে আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও ভোজ্য তেলের দাম বেড়ে যাওয়ার কথা বলেন তিনি 

আপডেট : ৩০ জানুয়ারি ২০২২, ১০:০৫ পিএম

বাংলাদেশে ভোজ্য তেলের দাম কমার কোনো সম্ভাবনা নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। কারণ হিসেবে আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও ভোজ্যতেলের দাম বেড়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “ভোজ্যতেলের দাম আন্তর্জাতিক বাজারের ওপর নির্ভরশীল। এ দাম তো আমরা কমাতে পারবো না। বিদেশ থেকে আমদানির পর কেনা দাম ধরে আমরা একটা দাম নির্ধারণ করে দেই।”

রবিবার (৩০ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের নতুন ভবন নির্মাণকাজের পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা চার ধরনের পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ করি, যার মধ্যে ভোজ্যতেল, মসুর ডাল, চিনি অন্যতম। আন্তর্জাতিক বাজারে এ পণ্যগুলোর দাম বেড়েছে। বাংলাদেশেও এর প্রভাব বেড়েছে। চালের দাম কখনও বাড়ছে আবার কখনও কমেছে। কেন এমনটা হচ্ছে তা খাদ্য মন্ত্রণালয় বলতে পারবে।”

তিনি আরও বলেন, “ভোজ্য তেলের দাম পুনর্নির্ধারণের ব্যাপারে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি আমরা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে বসব। সেখানেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

পেঁয়াজের দাম কমে যাওয়া নিয়ে কৃষকদের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “পেঁয়াজের দাম বাড়লে সাধারণ মানুষের সমস্যা, আবার কমলে কৃষকদের সমস্যা। এর সমাধান আমাদের পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়। তবে কৃষকদের দিকটি আমাদের বিবেচনায় আনতে হবে। আমরা সাধারণ মানুষের সমস্যা সাম্যাবস্থায় এনে সমাধানের চেষ্টা করি।”

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে টিপু মুনশি বলেন, “রমজান মাসের বিষয়টি মাথায় রেখে বাজার ঠিক রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। রমজান মাসে টিসিবির মাধ্যমে বরাদ্দ দ্বিগুণ করে বাজার ঠিক রাখার পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

কৃষকদের আলুর ন্যায্য মূল্য না পাওয়া এবং তাদের ৪-৫ টাকা কেজিতে আলু বিক্রিতে বাধ্য করা হচ্ছে- এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, যোগান আর চাহিদার ওপর আলুর দাম নির্ভর করে।

রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে কারাবন্দীদের নিম্নমানের খাবারসহ বিভিন্ন অনিয়ম সম্পর্কে এক প্রশ্নের উত্তরে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “কারাগারের বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে আমরা শুনেছি এবং অবগত রয়েছি। বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলব। তিনি অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে দেখবেন।”

তিনি আরও বলেন, “রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারটি অনেক পুরনো। মূলত আমরা নতুন ভবন নির্মাণের বিষয়ের সরেজমিনে কারাগারের অবস্থা দেখতে এসেছিলাম। দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্টিমেট তৈরি করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে দেওয়া হবে। এরপর তিনি অনুমোদন দিলে একনেকে পাঠানো হবে। তবে আগামী ১০০ বছরেও যাতে আর হাত দিতে না হয় সেভাবেই আমরা অবকাঠামো নির্মাণের ব্যবস্থা করব।”

এর আগে বাণিজ্যমন্ত্রী রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগার প্রাঙ্গণে এসে পৌঁছালে কারারক্ষীদের একটি দল তাকে অভ্যর্থনা (গার্ড অব অনার) দেয়। এরপর তিনি কারাগারের বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখেন। এ সময় তার সঙ্গে জেলা প্রশাসক আসিব আহসান, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোচাদ্দেক হোসেন বাবলুসহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

About

Popular Links