Sunday, May 26, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

৯ সপ্তাহ পরও অস্থিতিশীল চিনির দাম

প্যাকেটের গায়ে দাম ১১২ টাকা কেজি হলেও মুদি দোকানীরা বিক্রি করছে ১২০-১৩০ টাকা কেজি

আপডেট : ০৪ এপ্রিল ২০২৩, ০৩:৫৮ পিএম

শোধনাগার কর্তৃপক্ষ ও সরকার সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (এমআরপি) নির্ধারণ করে দেওয়ার নয় সপ্তাহ পরেও দেশের স্থানীয় চিনির বাজার এখনও অস্থিতিশীল।

গত ২৬ জানুয়ারি খোলা চিনির দাম প্রতি কেজি ১০৭ টাকা ও প্যাকেটজাত চিনির দাম ১১২ টাকা নির্ধারণ করা হলেও এই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য এখনও বিক্রি হচ্ছে ১১৮-১৩০ টাকায়।

ধানমন্ডি, পলাশী ও সেগুনবাগিচায় মুদি দোকানে গিয়ে দেখা গেছে, খোলা চিনি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১১৮ থেকে ১২৫ টাকায়। মাত্র দুটি মুদি দোকানে প্যাকেট চিনি বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৩০ টাকা কেজি।

প্যাকেটের গায়ে দাম ১১২ টাকা কেজি হলেও মুদি দোকানীরা বিক্রি করছে ১২০-১৩০ টাকা কেজি।

এর আগে, ২৬ জানুয়ারি, বাংলাদেশ সুগার রিফাইনারস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআরএ) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মতিতে চিনির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (এমআরপি) সংশোধিত করে ১০৭ টাকা পর্যন্ত ও প্রতি কেজি প্যাকেটে ১১২ টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করে দেয়।

আমদানি করা কাঁচা চিনির শোধক সমিতি সর্বশেষ গত বছরের ১৭ নভেম্বর প্রতি কেজির দাম ৮ টাকা বাড়িয়ে যথাক্রমে ১০২ ও ১০৮ টাকা করে।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহ-সভাপতি এসএম নাজের হোসেন বলেন, সরকার ও শোধনাগারদের নির্ধারিত চিনির দাম বাজারে কাজ করছে না।

নিরীক্ষণের অভাব ও অন্যায়কারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির অনুপস্থিতি অপরিহার্য বাজারে অস্থিরতার মূল কারণ, তিনি যোগ করেন।

বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের মতে, বাংলাদেশের চিনির বার্ষিক চাহিদা ২-২.২ মিলিয়ন টন, যার মধ্যে ২০২২ সালে দেশে ২৮,০০০ টন উৎপাদন হয়েছিল।

দশটি বড় শোধনাগার ব্যাপক চাহিদা মেটাতে বছরে ২-২.৪ মিলিয়ন টন চিনি আমদানি করে।

About

Popular Links