Wednesday, May 22, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

এলসি খোলা কমেছে ২৫.৩৮%

দেশে মূলধনী যন্ত্রপাতি মধ্যবর্তী পণ্য, ভোগ্যপণ্য ও শিল্পের কাঁচামাল আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে

আপডেট : ০৫ মে ২০২৩, ১২:০৩ পিএম

বিভিন্ন বিধিনিষেধের কারণে এ অর্থবছরের জুলাই-মার্চে আমদানির জন্য ওপেনিং লেটার অব ক্রেডিট (এলসি) খোলার পরিমাণ ২৫.৩৮% কমেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে এলসি খোলার পরিমাণ ৫১.৩৬ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। যা ২০২২ অর্থবছরের একই সময়ে ৬৮.৮৪ বিলিয়ন ডলার ছিল। ফলে প্রায় ১৭.৪৮ বিলিয়ন ডলার কমেছে।

এ সময়ে মূলধনী যন্ত্রপাতি মধ্যবর্তী পণ্য, ভোগ্যপণ্য ও শিল্পের কাঁচামাল আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।

ভোগ্যপণ্যের মধ্যে, ফল, পেঁয়াজ, দুধের খাবার ও চাল আমদানির জন্য এলসি খোলা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যথাক্রমে ৩৬.৫১%, ৩১.৪৩%, ১০.৬৩% ও ৯.৩৯% কমেছে।

২০২৩ অর্থবছরের নয় মাসে ভোক্তা এবং মধ্যবর্তী পণ্যের আমদানিও যথাক্রমে ১৫.৯৯%, ৩০.৯১% কমেছে। যার আর্থিক পরিমাণ যথাক্রমে ৬.১৯ বিলিয়ন ডলার ও ৪.১ বিলিয়ন ডলার।

একই সময়ে মূলধন যন্ত্রপাতির জন্য এলসি খোলার পরিমাণ ছিল ২.২৯ বিলিয়ন ডলার। আগের অর্থবছরে তা ছিল ৫.১৯ বিলিয়ন ডলার।

এলসি নিষ্পত্তি বা আমদানি অর্থপ্রদানও ৫.৮৭% কমে ২০২৩ অর্থবছরে জুলাই-মার্চ মাসে ৫৭.০৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। যা ২০২২ অর্থবছরের একই সময়ে ৬০.৬১ বিলিয়ন ডলার ছিল।

ব্যাংকাররা বলেছেন, বাজারে ডলারের ঘাটতির কারণে আমদানি ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে। যা অনেক ব্যবসায়িকে তাদের আমদানি কমাতে বাধ্য করেছে।

এছাড়া ডলার সংকটের কারণে কিছু ব্যাংক এলসি পেমেন্টের বাধ্যবাধকতা পূরণ করতে পারছিল না। ফলে নতুন এলসি খোলার পরিমাণ হ্রাস পেয়েছে।

২০২৩ অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারিতে দেশের বাণিজ্য ঘাটতি ১৩.৮২ বিলিয়ন ডলার। আমদানি হ্রাসের কারণে ২০২২ অর্থবছরে এই পরিমাণ ছিল ২২.৪৩ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত নয় মাসে টাকার অবমূল্যায়ন হয়েছে ১২.৫%।

আন্তঃব্যাংক বিনিময় হার ৬ এপ্রিলে রেকর্ড ১০৭.৪ টাকা প্রতি ডলারে উন্নীত হয়। যেখানে ২০২১ সালের আগস্টে এই হার ছিল ৮৪.৮ টাকা প্রতি ডলার।

বৈদেশিক মুদ্রার বাজারকে স্থিতিশীল করার জন্য, বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৩ অর্থবছরের নয় মাসে ব্যাংকগুলোর কাছে ১১ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে। যখন ২০২২ অর্থবছরে এটি আর্থিক বাজারে ৭.৬২ বিলিয়ন ডলার ছাড় করেছিল।

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাওয়ার পেছনে ডলার বিক্রিও ভূমিকা রেখেছে।

About

Popular Links