Friday, May 24, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ঝিনাইদহে চাহিদার চেয়ে ৬০ হাজার বেশি পশু

এ বছর ঝিনাইদহে ২ লাখ ৪,৯২৮টি কোরবানির পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। জেলার চাহিদা মিটিয়ে প্রায় ৬০ হাজার পশু দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হবে

আপডেট : ১২ জুন ২০২৩, ০৬:০১ পিএম

খাবারের দাম বেড়ে যাওয়ায় পশু পালনে খরচ বেড়েছে খামারিদের। এছাড়া তীব্র গরমে পালন করা পশুর মৃত্যুর ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে। এ অবস্থায় ভারতীয় গরু দেশের বাজারে যেন ঢুকতে না পারে সেদিকে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি আশা করছে খামারিরা।

জেলার খামারিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পশুখাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় গরুপ্রতি তাদের প্রতিদিন দেড় হাজার টাকারও বেশি খরচ হচ্ছে। এছাড়া অন্যান্য ঝুঁকি রয়েছে। ঈদ বাজারের অপেক্ষায় আছেন তারা। ঈদে কোরবানির পশু পরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরানোর দাবিও করেছেন তারা।

জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ বছর জেলায় ২ লাখ ৪ হাজার ৯২৮টি কোরবানির পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। জেলার চাহিদা মিটিয়ে প্রায় ৬০ হাজার পশু বাইরে পাঠানো হবে।

এদিকে জেলার পশু খামারগুলোতে দেখা গেছে, ঈদের বাজার ধরতে গরুসহ অন্যান্য পশুর যত্নে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারিরা। ঈদের এখনো ১৮ দিন বাকি। শেষ সময়ে মোটাতাজাকরণের দিকেই নজর দিচ্ছেন তারা। আগামী সপ্তাহে জেলায় পশুর বাজার জমে উঠতে পারে।  

ঝিনাইদহ শহরের চাকলাপাড়া এলাকার খামারি জিনারুল ইসলাম। তিনি মাংস উৎপপাদনকারী ব্রাহামা জাতের “রাজা” ও “বাদশা” নামের দুটি গরু তিন বছর ধরে পালন করছেন। তার এই গরু দুটির দাম হাঁকানো হচ্ছে ৪০ লাখ টাকা।

খামারিরা যেন স্বাস্থ্যসম্মতভাবে পশু পালন করতে পারেন এ বিষয়ে সচেতনতা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে প্রাণিসম্পদ কার্যালয়।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মনোজিৎ কুমার সরকার ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “জেলায় স্বাস্থ্যসম্মতভাবে পশু লালন হচ্ছে। বাজারজাতকরণের বিষয়েও খামারিদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।”

About

Popular Links