Tuesday, May 28, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

আবারও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩০ বিলিয়ন ডলারের নিচে

এর আগে গত ৮ মে সাত বছর পর রিজার্ভ ৩০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমেছিল। তখনো মার্চ-এপ্রিল দুই মাসের আকুর দায় পরিশোধ করা হয়েছিল

আপডেট : ০৮ জুলাই ২০২৩, ০৬:১৬ পিএম

এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নে (আকু) সবশেষ অর্থ পরিশোধের পর বাংলাদেশের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ আবারও ৩০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমেছে।

মে-জুন মাসের ১.০৯ বিলিয়ন ডলার দেনা পরিশোধের পর বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) বাংলাদেশের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২৯.৯৭ বিলিয়ন ডলারে।

এর আগে গত ৮ মে সাত বছর পর রিজার্ভ ৩০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমেছিল। তখনো মার্চ-এপ্রিল দুই মাসের আকুর দায় পরিশোধ করা হয়েছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র ও পরিচালক সরোয়ার হোসেন সংবাদমাধ্যমকে এই তথ্য জানিয়েছেন।

রিজার্ভ নিয়ে যে তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক, তা বিদেশি মুদ্রার বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব “গ্রস রিজার্ভ” হিসাব। আকুর দায় পরিশোধের আগে গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩১.১৬ বিলিয়ন ডলার।

“গ্রস রিজার্ভ” ২৯ বিলিয়ন ডলারের উপরে থাকলেও বিপিএম৬ (ব্যালেন্স অব পেমেন্ট অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পজিশন) পদ্ধতিতে হিসাব করলে এই রিজার্ভ দাঁড়ায় ২৩ বিলিয়ন ডলার। 

করোনাভাইরাস মহামারির চাপ ও ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে চাপে পড়ে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। ২০২২ সালের জুলাই থেকে আমদানি নিয়ন্ত্রণে কড়াকড়ি আরোপ করেও চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশ ব্যাংকও বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছে ডলার বিক্রি শুরু করে।

এতে ক্ষয় হতে থাকা রিজার্ভ গত ডিসেম্বরে থাকা ৩৩.৭৪ বিলিয়ন ডলার গত জানুয়ারিতে ৩২.২২ বিলিয়ন, ফেব্রুয়ারিতে ৩২.৩৩ বিলিয়ন, মার্চে ৩১.১৪ বিলিয়ন ও এপ্রিল শেষে ৩১.০৬ বিলিয়নে দাঁড়ায়। এরপর মে শেষে ২৯.৮৭ বিলিয়ন ও জুন শেষে হয় ৩১.২০ বিলিয়ন ডলার।

আমদানি দায় পরিশোধ করতে গিয়ে বাংলাদেশের ব্যালেন্স অব পেমেন্টে ঘাটতি দেখা দেয়। সেই ঘাটতি সামাল দিতে গত জানুয়ারিতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল- আইএমএফের কাছে ৪৭০ কোটি ডলার ঋণ পেতে সমঝোতায় যায় বাংলাদেশ।

About

Popular Links