Saturday, May 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

২০২২-২৩ অর্থবছরে আমদানি ব্যয় কমেছে ১৬%

সরকারি ও বেসরকারি খাতের আমদানি দায় নিষ্পত্তি করতে গিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় অর্ধেক করে ফেলেছে

আপডেট : ১৩ আগস্ট ২০২৩, ১১:৩১ পিএম

২০২২-২৩ অর্থবছরে দেশের আমদানি ব্যয় প্রায় ১৬% কমেছে। এর আগের অর্থবছরে আমদানি খরচ বেড়েছিল প্রায় ৩৬%। এ কারণেই দেশে মারাত্মক ডলার সংকট সৃষ্টি হয়, যার প্রভাব পড়ে পুরো অর্থনীতিতে ও মুদ্রাস্ফীতি ৯% এর বেশি হয়ে যায়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক তথ্য বিশ্লেষণ অনুসারে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে আমদানি ব্যয় ছিল ৭৫.০৬ বিলিয়ন ডলার।

০২১-২২ অর্থবছরে আমদানি খরচ হয়েছিল ৮৯.১৬ বিলিয়ন ডলার।

এর আগে ২০২০-২১ অর্থবছরে আমদানি খরচ ছিল ৬৫.৫৯ বিলিয়ন ডলার।

অর্থনীতির সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডলার সংকটের মধ্যে ধারাবাহিক কঠোর ব্যবস্থা ও কর বৃদ্ধির কারণে এটি ঘটেছে।

আর আর্থিক সংকটের কারণে আমদানি নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে কর্তৃপক্ষ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র সারোয়ার হোসেন বলেন, “আমদানি কমলেও দেশে পণ্যের কোনো ঘাটতি নেই। এই চ্যানেলের মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচারের কোনো সুযোগ নেই। কারণ সমস্ত ওপেনিং লেটার অব ক্রেডিট (এলসি) এখন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করা হচ্ছে।”

তিনি বলেন, “ব্যাংকগুলোতে ডলারের সরবরাহ বেড়েছে। এক ব্যাংক আরেক ব্যাংকের কাছে ডলার বিক্রি করছে। ফলে সংকট এখন আগের মতো নেই।”

সরকারি ও বেসরকারি খাতের আমদানি দায় নিষ্পত্তি করতে গিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় অর্ধেক করে ফেলেছে।

বৃহস্পতিবারও নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি বিক্রি করেছে ৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ফলে সেদিন রিজার্ভ কমে ২ হাজার ৯৫৩ কোটি ডলারে নেমেছে।

কিন্তু প্রকৃত রিজার্ভ আরও কম।

তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম ৬ অনুযায়ী, রিজার্ভ আছে ২ হাজার ৩২৩ কোটি ডলার। আর নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ আরও কম, মানে ২ হাজার কোটি ডলারের কম।

বাংলাদেশকে ঋণ দেওয়ার শর্ত হিসেবে আইএমএফ যে পরিমাণ রিজার্ভ রাখতে বলেছিল, কেন্দ্রীয় ব্যাংক তা পালন করতে পারেনি। 

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “আমরা এখনও গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী লেটার অব ক্রেডিট (এলসি) খুলতে পারি না।”

তিনি বলেন, “বৈদেশিক বাণিজ্য আগের মতো সহজে করা যাবে না। বিদেশি ব্যাংকগুলো ৬ মাসের বেশি সময়ের জন্য ঋণ বা সীমা দিচ্ছে না। আমরা প্রবাসী ও রপ্তানি আয় দ্রুত এনে সংকট সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি। এভাবে কত দিন চলবে, বুঝতে পারছি না।”

About

Popular Links