Saturday, May 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

সর্বজনীন পেনশনের প্রথম দিনে আট হাজার নিবন্ধন

আবেদনের পুরো প্রক্রিয়া শেষ করে ১,৭০০ জন পেনশনের চাঁদা পরিশোধ করেছেন

আপডেট : ১৮ আগস্ট ২০২৩, ০৯:৪০ পিএম

জাতীয় পেনশন কর্মসূচি (স্কিম) উদ্বোধনের প্রথম দিনে অন্তত আট হাজার মানুষ নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে ১,৭০০ জন আবেদনের পুরো প্রক্রিয়া শেষ করে চাঁদা পরিশোধ করেছেন।

শুক্রবার (১৮ আগস্ট) জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সদস্য গোলাম মোস্তফা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার পেনশন কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়। এরপর বিকেল পর্যন্ত ছয় হাজার মানুষ নিবন্ধন করেন। রাত ১২টা পর্যন্ত তা দাঁড়ায় আট হাজার জনে।

আবেদনের পুরো প্রক্রিয়া শেষ করে ১,৭০০ জন পেনশনের চাঁদা পরিশোধ করেছেন।

তিনি বলেন, নিবন্ধন থেকে শুরু করে চাঁদা পরিশোধের পুরো প্রক্রিয়াটি অনলাইনে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই করা যাচ্ছে। ফলে আবেদনকারীর সংখ্যা প্রতি মুহূর্তেই বাড়ছে।

তিনি আরও বলেন, প্রথম দিনে যে সাড়া পাওয়া গেছে, সেটি উৎসাহব্যঞ্জক। সামনের দিনগুলোয় সর্বজনীন পেনশনে আগ্রহী মানুষের সংখ্যা আরও বাড়বে।

দেশের বয়স্ক নাগরিকদের টেকসই ও সুসংগঠিত সামাজিক নিরাপত্তাকাঠামোর আওতায় আনতে এবং নিম্নআয়ের ও অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত সমাজের ৮৫% মানুষকে সুরক্ষা দেওয়ার সুযোগ তৈরি করতে প্রথমবারের মতো সর্বজনীন পেনশন-ব্যবস্থা (স্কিম) চালু করা হয়।

বৃহস্পতিবার এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সরকারি চাকরিজীবী ছাড়া ১৮ বছরের বেশি বয়সী যে কেউ চাঁদা দিয়ে পেনশন ব্যবস্থার আওতায় আসতে পারবেন। প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা এবং সমতা- সর্বজনীন পেনশনের এই চার কর্মসূচি আজ চালু হলো।

অর্থ বিভাগের সূত্র জানায়, যে দুটি পরে চালু করা হবে তার মধ্যে একটি শ্রমিক শ্রেণির জন্য, অন্যটি শিক্ষার্থীদের জন্য। তবে একটি নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিয়ে বলা হতে পারে যে ২০৩৫ বা ২০৪১ সাল থেকে সরকারি কর্মচারী এবং স্বায়ত্তশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের জন্যও সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি উন্মুক্ত করা হবে।

সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর বয়স ৬০ বছর হলেই আজীবন পেনশন সুবিধা পাবেন একজন চাঁদাদাতা। তবে চাঁদাদাতা মারা গেলে তার নমিনি বা মনোনীত উত্তরাধিকারী পেনশন পাবেন।

এক্ষেত্রে চাঁদাদাতার ৭৫ বছর বয়স পর্যন্ত হতে যত বছর বাকি থাকবে, সেই সময় পর্যন্ত নমিনি পেনশন উত্তোলন করতে পারবেন।

সর্বজনীন পেনশন স্কিমে অন্তর্ভুক্ত হতে গেলে ইউপেনশন ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন করতে হবে।

পেনশন কর্তৃপক্ষ বলেছে, ভুল তথ্য দিয়ে আবেদন করলে সেই আবেদন বাতিল হবে এবং জমাকৃত অর্থ ফেরতযোগ্য হবে না। নিবন্ধনের পরবর্তী ধাপে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা পাসপোর্ট নম্বর, একটি সচল মুঠোফোন নম্বর, ব্যাংক হিসাব নম্বর, নমিনির এনআইডি ইত্যাদি তথ্য লাগবে।

জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা জানান, কেউ যদি অনলাইনে পেনশন কর্মসূচিতে নিবন্ধন করতে না পারেন, তাহলে তিনি সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখায় যেতে পারেন। সেখানে ব্যাংকের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আগ্রহী ব্যক্তিদের পেনশনের জন্য নিবন্ধিত হওয়ার পাশাপাশি চাঁদা পরিশোধের বিষয়ে সহায়তা করবেন। ইতিমধ্যে এ বিষয়ে সোনালী ব্যাংকের সঙ্গে পেনশন কর্তৃপক্ষের একটি সমঝোতা চুক্তি (এমওইউ) সই হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য ব্যাংকের সঙ্গেও অনুরূপ এমওইউ সই হবে বলে জানা গেছে।

About

Popular Links